সর্বশেষ
দিল্লিতে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ, সাময়িক বন্ধ ইন্টারনেট
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সিদ্ধান্ত, চলতি মাসেই বঙ্গভবন ছাড়তে পারেন সাহাবুদ্দিন
পাকিস্তানে প্রবল বর্ষণে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ৩৭
নারী কেলেঙ্কারিতে পতন: জামায়াত থেকে এমপি নজরুল বহিষ্কার, সাতক্ষীরা-৪ আসনে উপ-নির্বাচন!
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় সহায়তাকারীদের কঠোর সতর্কবার্তা
গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ছাগলনাইয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়
দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম
জুলাইজুড়ে ভারতজুড়ে তরুণদের আন্দোলন, মোদি সরকারের ওপর বাড়ছে চাপ
ইরানে হামলায় ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি পেল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুদ্ধের ভয়াবহতা তীব্র হতে যাচ্ছে
১৭ দিন ধরে নিখোঁজ মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থী, দিশে হারা মা-বাবা, খুঁজে পেতে শেয়ার দিয়ে সাহায্য করুন
আজকের স্বর্ণের দাম: ২২ জুলাই ২০২৬
সংলাপে বসতে ‘মরিয়া’ হয়ে উঠেছে ইরান: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
আটকের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মুক্তি পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা
দিল্লির রাজপথে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি, তীব্র প্রতিবাদের মুখে রাহুল গান্ধী আটক! মোদির ক্ষমতার মসনদ কি তবে ধসে পড়ার মুখে?
ইরান যুদ্ধ ঘিরে নতুন পরিকল্পনা প্রস্তুত করছে ইসরায়েল

কোন শ্রেণীর মানুষ যাকাত গ্রহণ করতে পারবে? জানুন ইসলামের নির্দেশনা”

Our Times News

আওয়ার টাইমস নিউজ।

ইসলামী ডেস্ক: রমজান মাস মুসলিমদের জন্য বিশেষ ফজিলতের মাস। এই মাসে নফল ইবাদত ও দানের সওয়াব অনেক বেশি থাকে, এবং যাকাত দেওয়ার বিষয়টিও এর মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব রাখে। যদিও যাকাত আদায়ের সময়সীমা বা মাসের নির্দিষ্ট কোন বাধ্যবাধকতা নেই, তবে রমজান মাসে যাকাত দেওয়া এক ধরনের বিশেষ দান হিসেবে মুসলিমদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

যাকাত কি বাধ্যতামূলক?
যাকাত ইসলামে একজন মুসলিমের উপর একটি বাধ্যতামূলক ইবাদত, তবে এটি কেবল তাদের জন্য যারা নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদের মালিক। সাধারণত, যাকাত দেওয়ার জন্য একজন মুসলিমের সম্পদ যদি নিসাব পরিমাণে পৌঁছায়, তবে তাদের ওপর যাকাত প্রদান করা বাধ্যতামূলক হয়। তবে, রমজান মাসে যাকাত দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়, বরং এটি ঐচ্ছিক। তবে এই মাসে এর ফজিলত অনেক বেশি, যা মুসলিমদের অধিক দান করতে উদ্বুদ্ধ করে।

রাসূলুল্লাহ (সা.) ছিলেন সর্বাধিক দানশীল ব্যক্তি এবং রমজান মাসে তিনি আরও বেশি দান করতেন। এ মাসে, যাকাতের সওয়াব বেড়ে যায়, তাই মুসলিমরা বেশি পরিমাণে যাকাত প্রদান করে থাকেন।

কোরআনে আল্লাহ তায়ালা যাকাত গ্রহণের জন্য যে শ্রেণি নির্ধারণ করেছেন, তাদের মধ্যে মোট আটটি শ্রেণি রয়েছে:

১. ফকির (অত্যন্ত দরিদ্র): যারা একেবারেই দরিদ্র এবং তাদের জীবিকার জন্য পর্যাপ্ত কিছু নেই।

২. মিসকিন (নিঃস্ব): যারা খুব সামান্য আয় করেন এবং তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণে অসমর্থ।

৩. আমিলীন (যাকাত সংগ্রহকারীরা): যাকাত সংগ্রহ ও বণ্টনের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা।

৪. মুয়াল্লাফাতুল কুলুব (নতুন মুসলিম): যারা ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন, তাদের সহায়তা করা।

৫. রিকাব (দাস মুক্তি): যাদের মুক্তির জন্য যাকাত ব্যবহার করা হয়।

৬. গারিমিন (ঋণগ্রস্ত): যারা ঋণগ্রস্ত এবং তা পরিশোধ করতে সক্ষম নয়।

৭. ফি সাবিলিল্লাহ (আল্লাহর পথে): যারা আল্লাহর পথে কাজ করছেন, যেমন: ধর্ম প্রচার, দাওয়াহ কার্যক্রম ইত্যাদি।

৮. ইবনুস সাবিল (মুসাফির): যারা ভ্রমণরত অবস্থায় অর্থের অভাবে পড়েছেন।

কোরআনের আয়াত:

إِنَّمَا الصَّدَقَاتُ لِلْفُقَرَاءِ وَالْمَسَاكِينِ وَالْعَامِلِينَ عَلَيْهَا وَالْمُؤَلَّفَةِ قُلُوبُهُمْ وَفِي الرِّقَابِ وَالْغَارِمِينَ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ وَابْنِ السَّبِيلِ ۖ فَرِيضَةً مِّنَ اللَّهِ ۗ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
(সূরা আত-তাওবা, আয়াত: ৬০)

বাংলা অর্থ:
“সদকাহ্‌ তো ফকির, মিসকিন, তৎসংশ্লিষ্ট কর্মচারী, যাদের চিত্ত আকর্ষণ করা হয়, দাস মুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্তদের জন্য, আল্লাহর পথে এবং মুসাফিরদের জন্য। এটা আল্লাহর নির্ধারিত বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।”

হাদিসের আলোকে:

রাসূলুল্লাহ (সা.) রমজান মাসে তার দানশীলতা আরও বাড়িয়ে দিতেন। ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন:

كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَجْوَدَ النَّاسِ، وَأَجْوَدُ مَا يَكُونُ فِي رَمَضَانَ
(সহীহ বুখারি)

বাংলা অর্থ:
“রাসূলুল্লাহ (সা.) ছিলেন মানুষের মধ্যে সর্বাধিক দানশীল, আর রমজান মাসে তিনি আরও বেশি দানশীল হতেন।”

এটি প্রমাণ করে যে, রমজান মাসে যাকাত ও দানের সওয়াব অনেক বেশি হয়ে যায়, এবং মুসলিমরা এই মাসে দান করতে আরও বেশি উৎসাহিত হন।

প্রসঙ্গত: রমজান মাসে যাকাত প্রদান বাধ্যতামূলক নয়, তবে এই মাসে এর সওয়াব অনেক বেশি। আল্লাহ তায়ালা কোরআনে যাকাত গ্রহণের জন্য যেসব শ্রেণি নির্ধারণ করেছেন, তাদের মধ্যে এ সহায়তা প্রদান করা উচিৎ, যাতে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দরিদ্রদের সহায়তা করা যায়। রাসূলুল্লাহ (সা.) রমজান মাসে দান করার গুরুত্ব বর্ণনা করেছেন, যা মুসলিমদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে।

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সুচী
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৪:০০
সূর্যোদয়ভোর ৫:২৪
যোহরদুপুর ১২:০৫
আছরবিকাল ৩:২৭
মাগরিবসন্ধ্যা ৬:৪৬
এশা রাত ৮:১০

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সুচী
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৪:০০
সূর্যোদয়ভোর ৫:২৪
যোহরদুপুর ১২:০৫
আছরবিকাল ৩:২৭
মাগরিবসন্ধ্যা ৬:৪৬
এশা রাত ৮:১০

সর্বশেষ

© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত