
আওয়ার টাইমস নিউজ।
নিউজ ডেস্ক: ঢাকা-৫ আসনে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের হেভিওয়েট প্রার্থী হাজী মো. ইব্রাহীম আনুষ্ঠানিকভাবে তার নির্বাচনী যাত্রা শুরু করেছেন। গত ৯ অক্টোবর রাজধানীর পল্টনে অবস্থিত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির আমীর সৈয়দ মুফতী রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে একটি রাজনৈতিক আলোচনা সভায় ঢাকা ৫ আসনের এমপি প্রার্থী হিসেবে হাজী মো. ইব্রাহীমের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় প্রতীক ‘হাতপাখা’ তুলে দেওয়া হয়। এ সময় সেখানে ইসলামি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা ৫ আসনের এমপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার পর হাজী মো. ইব্রাহীম তার নির্বাচনী এলাকার জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, “আমি আপনাদেরই সন্তান। ঢাকা-৫ এলাকার মানুষের সমস্যা, মাটির গন্ধ ও পরিবেশের সাথে আমি পরিচিত। দোয়া ও সমর্থনের মাধ্যমে আমরা এলাকার উন্নয়ন ও কল্যাণের কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।”
স্থানীয় ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতামত, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হাজী ইব্রাহীম তার বিচক্ষণতা এবং দক্ষতার কারণে সরকারি দলীয় প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুইবার কমিশনার পদে নির্বাচিত হয়েছেন। এই প্রমাণ করে যে, তিনি স্থানীয় জনতা এবং ইসলামী আন্দোলনের নেতাদের কাছে বিশ্বস্ত, যোগ্য ও সৎ নেতা হিসেবে বিবেচিত।
প্রার্থীতা ঘোষণা উপলক্ষে এলাকায় ইতিমধ্যেই ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এলাকাবাসী জানান, হাজী মো. ইব্রাহীম মানবিক কাজে বরাবরই সক্রিয় ছিলেন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে তার অবদান চোখে পড়ার মতো। অনেক স্থানীয় তার কাজের প্রশংসা করেছেন, এবং এটি তার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করেছে।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে হাজী মো. ইব্রাহীমের মূল লক্ষ্য হলো:
নিরাপদ ও আধুনিক ঢাকা-৫: ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে পারবে, চাঁদাবাজি ও দখলদারি থাকবে না।
বাসস্থান ও জীবনযাত্রা: স্থানীয়দের জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করা।
শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান: দলীয় প্রভাব ও দুর্বৃত্তায়ন থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মুক্ত রাখা।
সেবা ও অবকাঠামো: মশা, গ্যাস, পানি ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন।
তরুণ ও যুবক উন্নয়ন: অর্ধশত সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে পৃষ্ঠপোষকতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধির একাডেমি।
নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য প্রকল্প: সমান সুযোগ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
হাজী মো. ইব্রাহীম নির্বাচনী প্রচারণায় সরাসরি ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন শুরু করেছেন এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে জবাবদিহিতা, সততা ও ন্যায়পরায়ণতার মাধ্যমে নেতৃত্ব সত্যিই সফল হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হাজী মো. ইব্রাহীমের গণমুখী নেতৃত্ব ও সততা ভোটারের আস্থা অর্জনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এলাকায় ইতিমধ্যেই তার প্রার্থীতা নিয়ে আশাবাদ এবং উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, “প্রিয় ভাই-বোনেরা, আপনার এক ভোট শুধু একটি ভোট নয়। এটি চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দখলমুক্ত ঢাকা-৫ গড়ার হাতিয়ার। দোয়া ও সমর্থন থাকলে আমরা স্বপ্নের ঢাকা-৫ গড়ে তুলতে পারব।”





























