আওয়ার টাইমস নিউজ।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় নিহত হওয়ার খবর আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমও একই খবর নিশ্চিত করেছে। এই ঘটনায় ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে, যা বিশ্ব রাজনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে।
মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক জোটের এমন বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেছে MQ Global Foundation Bangladesh
ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়েখ হুসাইন আল আজাদ বলেন,
“আমরা কড়া ভাষায় এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানাচ্ছি। একজন ধর্মীয় ও রাষ্ট্রপ্রধানের উপর এমন ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইনের দৃঢ় লঙ্ঘন। এটি কেবল একজন ব্যক্তিকে হত্যা নয়, বরং সার্বভৌম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একটি সহিংস আক্রমণ, যা আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা ও মানবিক নীতির পরিপন্থী। ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতার জীবন সুরক্ষার নিশ্চয়তা সকল জাতির জন্য মৌলিক অধিকার। যে কোনো সহিংসতা, হত্যাকাণ্ড বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রনেতাদের উপর হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হয়। আমরা শান্তি ও সংলাপের মাধ্যমে বিবাদ সমাধানের জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে দৃঢ় আহ্বান জানাই।”
ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা মুফতী মাহমুদুল হাসান এই নেক্কারজনক হত্যাকান্ডকে স্পষ্ট আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন উল্লেখ করে বলেন এই দুঃখজনক ঘটনার জন্য আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি। জীবন ও মর্যাদার প্রতি সম্মান ইসলামী শিক্ষা ও মানবিক নীতির মৌলিক অংশ। এমন হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মানবিক কল্যাণে অবদান রাখতে পারে না।
আমরা ইরানবাসী, নিহত ব্যক্তির পরিবার এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি আমাদের সমবেদনা জ্ঞাপন করি। সমস্যার সমাধান ও আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তি শুধুমাত্র সংলাপ, মানবিক মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে হওয়া উচিত। নিরপরাধ জীবন হারানো কখনোই কল্যাণের সূচনা নয়।”
MQ Global Foundation পুনরায় জোর দিয়ে ইতিবাচক শান্তি, ন্যায়, আন্তর্জাতিক আইনের মর্যাদা এবং মানবাধিকার রক্ষায় সমর্থন জানায় এবং সব পক্ষকে শান্তি ও সংলাপের পথে আসার আহ্বান করে।