আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ইরান ও ইসরায়েল একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এর ফলে গোটা অঞ্চলে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ পর্যন্ত সংঘাতের ঘটনায় প্রাণহানি ছাড়াও ধ্বংস হয়েছে সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা।
কীভাবে শুরু হলো এই সংঘাত?
শুক্রবার (১৩ জুন) ভোরে ইসরায়েল তেহরানের উপর বিমান হামলা চালায়। ইরানের পারমাণবিক প্রকল্প ও সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। হামলায় ৮০ জন নিহত হয়, যাদের মধ্যে ২০ জন শিশু ও একাধিক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা রয়েছে।
ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া
শুক্রবার রাতেই ইরান তেল আবিবে শতাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এতে চারজন নিহত ও বহু মানুষ আহত হয়। এরপর শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় দ্বিতীয় দফা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান। হাইফা ও তেল আবিবসহ একাধিক শহরে হামলায় কমপক্ষে ছয়জন নিহত হয়।
যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে
ইরানের এই হামলার জবাবে ইসরায়েল আবার ইরানে বিমান হামলা চালিয়েছে। এছাড়া ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি সংঘাতে টেনে আনার ইঙ্গিত দেয়। যদিও এসব হামলায় মার্কিন সেনা হতাহত হয়নি।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ওমান থেকে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেছেন, এই যুদ্ধ বন্ধ হওয়া উচিত। তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন এ বিষয়ে।
পরিণতি কী হতে পারে?
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সংঘাত দ্রুত বন্ধ না হলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়বে। সৌদি আরব, লেবানন, ইরাকসহ একাধিক দেশ প্রভাবিত হতে পারে। পাশাপাশি বিশ্ব জুড়ে জ্বালানি সরবরাহেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সূত্র: Al Jazeera, AP, CNN