আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি তেল ও গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার প্রকাশ্য ইচ্ছা জানিয়েছেন। তার এই মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন এখন ইরানের তেল সম্পদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এর অংশ হিসেবে খারগ দ্বীপে মার্কিন বাহিনীর সাময়িক অবস্থান নেওয়ার সম্ভাবনাও তিনি উড়িয়ে দেননি।
ট্রাম্পের ভাষায়, এই কৌশল লাতিন আমেরিকার ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক নীতির সঙ্গে তুলনীয়, যেখানে জ্বালানি খাতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের জ্বালানি খাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেওয়াই এখন তার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি কঠোর মন্তব্য করেন এবং খারগ দ্বীপের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়েও অবমূল্যায়নমূলক বক্তব্য দেন।
ট্রাম্পের মতে, ওই দ্বীপে ইরানের শক্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই এবং সেখানে মার্কিন বাহিনী সহজেই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে।
বিশ্লেষকদের মতে, খারগ দ্বীপ ইরানের তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র, যেখানে দেশের বড় অংশের জ্বালানি বাণিজ্য পরিচালিত হয়। ফলে এই এলাকাকে লক্ষ্য করে কোনো সামরিক বা রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিলে তা সরাসরি ইরানের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দিতে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্পের এই মন্তব্য নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরাসরি সম্পদ নিয়ন্ত্রণের ধারণা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সূত্র: আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম