আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর হাট বসতে শুরু করেছে। তবে হাটে এখনো কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা না আসায় খামারিদের মধ্যে বাড়ছে দুশ্চিন্তা। অনেক হাটে পশুর সরবরাহ থাকলেও কেনাবেচা তুলনামূলক ধীরগতিতে চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
ব্যবসায়ী ও খামারিদের দাবি, গত বছরের তুলনায় এবার পশু লালন-পালনের খরচ অনেক বেড়েছে। পশুখাদ্য, ভুসি, খৈল, ওষুধ, পরিবহন ও শ্রমিক খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় একটি গরু প্রস্তুত করতে আগের চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। ফলে হাটে পশুর দামও বেড়েছে।
অন্যদিকে সাধারণ ক্রেতাদের অনেকেই বলছেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে বড় অঙ্কের টাকা খরচ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অনেক পরিবার এবার ছোট পশুর দিকে ঝুঁকছে। কেউ কেউ আবার ভাগে কোরবানি দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।
রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকার পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর প্রতি আগ্রহ বেশি। তবে দাম নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। এ কারণে অনেকে দরদাম করেও পশু না কিনে ফিরে যাচ্ছেন।
খামারিরা আশঙ্কা করছেন, ঈদের আগেই পশু বিক্রি না হলে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হবে। কারণ কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা পশু পরে সাধারণ বাজারে বিক্রি করলে কাঙ্ক্ষিত দাম পাওয়া যায় না। পাশাপাশি অবিক্রীত পশুর খাবার ও পরিচর্যায় অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের শেষ কয়েক দিনে সাধারণত পশুর হাটে ক্রেতার চাপ বাড়ে। তাই এখনই পুরো বাজার পরিস্থিতি নিয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করা না গেলেও খামারিরা শেষ সময়ের বেচাকেনার দিকেই তাকিয়ে আছেন।