আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফনের আনুষ্ঠানিকতা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় দেশ-বিদেশের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোরে খামেনি এবং তার সঙ্গে নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ গ্র্যান্ড মোসাল্লার প্রধান ইবাদত হলে নেওয়া হয়। সেখানে দুই দিনব্যাপী সাধারণ মানুষের শেষ শ্রদ্ধা জানানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
দাফন কর্মসূচির শুরুতেই ইন্দোনেশিয়া ও আফগানিস্তান থেকে আসা ধর্মীয় আলেম ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা শ্রদ্ধা জানান। পাশাপাশি ইরানের স্বীকৃত বিভিন্ন ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত, জর্জিয়া, কিউবাসহ ১০০টিরও বেশি দেশের সরকারি প্রতিনিধি ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জানাজা ও দাফন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, জাতি, ধর্ম ও রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে সবাই যেন এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়। তার ভাষায়, এটি জাতীয় ঐক্য এবং ইসলামি বিপ্লবের আদর্শের প্রতি জনগণের সমর্থনের প্রতীক হবে।
ইরানি কর্মকর্তাদের ধারণা, খামেনির জানাজা ও দাফন কর্মসূচিতে দেড় কোটি থেকে দুই কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন।
ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার ও রোববার দাফন-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা চলবে। এরপর সোমবার তেহরানে জানাজার শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। পরে মরদেহ কোমে নেওয়া হবে এবং এরপর ইরাকের বাগদাদ, কারবালা ও নাজাফে ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষে ৯ জুলাই ইরানের মাশহাদ শহরে চূড়ান্তভাবে দাফন সম্পন্ন হবে।
সূত্র: প্রেস টিভি