আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়ার পর পাকিস্তানের করাচিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক মিশনে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভ চলাকালীন নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছেন।
পাকিস্তানের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ইধি ফাউন্ডেশন এ তথ্য জানিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার এবং লাঠিচার্জ করে। নিহতদের মধ্যে ছয়জনের মরদেহ সিভিল হাসপাতালে আনা হয়েছে। ইধি ফাউন্ডেশনের অ্যাম্বুলেন্স আহত ও নিহতদের হাসপাতালে পৌঁছে দিয়েছে।
সিন্ধু প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লাঞ্জার করাচির অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শককে নির্দেশ দিয়েছেন পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য। তিনি জানিয়েছেন, “কাউকেই আইন নিজের হাতে নিতে দেওয়া হবে না।” সংবেদনশীল স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য বিকল্প রুট নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিন সকাল থেকেই করাচির সুলতানাবাদ থেকে মাই কোলাচি পর্যন্ত উভয় পাশের সড়ক বন্ধ রাখা হয়, যাতে বিক্ষোভের প্রভাব সীমিত করা যায়। ট্রাফিক পুলিশ মাঠে পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন রেখেছে।
পূর্বপ্রসঙ্গ হিসেবে উল্লেখযোগ্য, মার্কিন ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানে খামেনিসহ প্রায় দুই শতাধিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে পাকিস্তানে বিক্ষোভকারীরা রাজপথে নেমে হামলা চালায়।