আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ডা. আহমেদ আল-ফারা। তার ভাষায়, গাজায় চলমান পরিস্থিতি এখন ‘স্বাস্থ্য গণহত্যা’র রূপ নিয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় প্রায় ২১ হাজার ফিলিস্তিনির চিকিৎসার জন্য গাজার বাইরে যাওয়ার সুযোগ পাওয়ার কথা ছিল। এদের মধ্যে অনেকেরই জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল এবং প্রত্যেক রোগীর সঙ্গে দুইজন করে সহযাত্রী নেওয়ার বিষয়টিও চুক্তিতে উল্লেখ ছিল।
তবে এখন পর্যন্ত সাত হাজার পাঁচশোরও কম মানুষ গাজা ছাড়তে পেরেছেন। ফলে চুক্তির মাত্র ৩৬ শতাংশ বাস্তবায়িত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
আল জাজিরার গাজা প্রতিনিধি তারেক আবু আজুম জানান, চিকিৎসার অনুমোদন পাওয়া হাজারো রোগী এখনও গাজায় আটকা পড়ে আছেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেলে তাদের অনেকের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
ডা. আহমেদ আল-ফারা বলেন, যুদ্ধবিরতির পর চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক হওয়ার আশা করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে হাসপাতালগুলো এখন আরও ভয়াবহ সংকটের মুখে। প্রয়োজনীয় ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং চিকিৎসাকর্মীর তীব্র ঘাটতির কারণে রোগীদের সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, হাসপাতালগুলোকে কার্যত অচল করে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। চিকিৎসা সরঞ্জাম ও জনবল সংকটের কারণে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।