আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দখলদার ইসরায়েলি পুলিশের সহায়তায় মুসলমানদের প্রথম কেবলা আল-আকসা মসজিদ চত্বরে আবারও ভাঙচুর চালিয়েছে অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা। সোমবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরে যেসব ফিলিস্তিনি ভূমি জোর করে দখল করে বসতি গড়ে তুলেছে ইহুদিরা, তাদের একটি বড় অংশ প্রায় প্রতিদিনই আল-আকসা প্রাঙ্গণে হামলা চালায় এবং ইসরায়েলি বাহিনীর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করে।
এদের হামলার মুখে প্রায়শই নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন মুসল্লিরা। এ বছরের ২৫ জুনও দুই শতাধিক বসতি স্থাপনকারী মসজিদ চত্বরে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। সেদিনও তাদের রক্ষা করে ইসরায়েলি পুলিশ।
আল-আকসা মসজিদ ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান। অন্যদিকে ইহুদিরা এটিকে ‘টেম্পল মাউন্ট’ হিসেবে দাবি করে থাকে এবং বলে, এখানেই নাকি তাদের প্রাচীন মন্দির ছিল। যদিও ইসলামী ও ঐতিহাসিক দলিল অনুযায়ী, মুসলিমদের দখলে থাকা এই স্থানেই নবী মুহাম্মদ (সা.) মিরাজের রাতে নামাজ আদায় করেছিলেন।
১৯৬৭ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয় এবং ১৯৮০ সালে পুরো শহরকে নিজেদের অংশ ঘোষণা করে, যা আন্তর্জাতিকভাবে কখনোই স্বীকৃতি পায়নি।
ইসরায়েল ২০২৩ সাল থেকে বসতি স্থাপনকারীদের আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া শুরু করে, যদিও তাদের প্রার্থনা করা বা ধর্মীয় প্রতীক প্রদর্শনের সুযোগ আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী নিষিদ্ধ।
এই হামলা ও অবমাননাকর আচরণ মুসলিম বিশ্বের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা