আওয়ার টাইমস নিউজ।
স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর আর্জেন্টিনা বনাম মিশর ম্যাচ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ম্যাচের বড় অংশজুড়ে মিশর এগিয়ে থাকলেও রেফারিংয়ের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা দেখা গেছে।
বিশেষ করে মিশরের একটি গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত এবং ম্যাচের শেষ ভাগে ধারাবাহিক কয়েকটি রেফারিং সিদ্ধান্ত নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অসংখ্য পোস্ট ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক সমর্থক দাবি করছেন, এসব সিদ্ধান্ত ম্যাচের গতিপথ বদলে দিয়েছে।
তবে এ ধরনের অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত ফিফা বা ম্যাচ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ প্রকাশিত হয়নি। একইভাবে সাবেক ফুটবলারদের পক্ষ থেকেও সর্বসম্মতভাবে "ফিফার সহযোগিতায় মিশর হেরেছে" এমন কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সামাজিক মাধ্যমে অনেক ব্যবহারকারী দাবি করছেন, মিশরের বাতিল হওয়া গোলটি বৈধ ছিল এবং সেটি বহাল থাকলে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারত। অন্যদিকে, অনেক ফুটবল বিশ্লেষক বলছেন, ভিএআর প্রযুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক নতুন কিছু নয় এবং গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে এমন সিদ্ধান্ত প্রায়ই আলোচনা তৈরি করে।
ম্যাচ শেষে মিশরের সমর্থকদের মধ্যে হতাশা ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে হাজারো পোস্ট করা হয়। অনেকেই ফিফার কাছে ম্যাচ পরিচালনার ব্যাখ্যা এবং বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলোর পূর্ণাঙ্গ ভিডিও প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।
ফুটবল বিশ্বের বড় ম্যাচগুলোতে রেফারিং নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। তবে কোনো ম্যাচে ইচ্ছাকৃতভাবে একটি দলকে জিতিয়ে দেওয়া হয়েছে বা ফিফা সরাসরি সহযোগিতা করেছে, এমন দাবি করার জন্য নির্ভরযোগ্য ও যাচাইকৃত প্রমাণ প্রয়োজন। তাই এ ধরনের অভিযোগকে বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিক্রিয়া ও বিতর্ক হিসেবেই দেখা উচিত, প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে নয়।