আওয়ার টাইমস নিউজ।
অর্থনীতি ডেস্ক: আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম প্রত্যাশার চেয়েও বেশি কমে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বৈশ্বিক বিনিয়োগ ব্যাংক জেপি মরগান। প্রতিষ্ঠানটির নতুন পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ফেডারেল রিজার্ভ) সুদের হার আরও বাড়ালে সোনার বাজারে বড় চাপ তৈরি হতে পারে।
জেপি মরগানের মতে, সুদের হার বাড়লে বিনিয়োগকারীরা সোনার পরিবর্তে বেশি মুনাফা পাওয়া যায় এমন খাতে অর্থ বিনিয়োগে আগ্রহী হন। ফলে মূল্যবান এই ধাতুর চাহিদা কমে গিয়ে দাম আরও নেমে আসতে পারে।
ব্যাংকটি চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৩০০ ডলার এবং চতুর্থ প্রান্তিকে ৪ হাজার ৫০০ ডলার হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। এর আগে গত ৯ জুন প্রকাশিত পূর্বাভাসে বছরের শেষ নাগাদ সোনার দাম ৬ হাজার ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা দিয়েছিল তারা। তবে সর্বশেষ মূল্যায়নে সেই পূর্বাভাস উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে।
গত শুক্রবার আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে সোনার দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৭৪ দশমিক ২১ ডলারে লেনদেন হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে দাম দুই শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেলেও দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি বহাল রয়েছে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।
তবে দীর্ঘমেয়াদে সোনার বাজার নিয়ে আশাবাদী জেপি মরগান। তাদের ধারণা, ২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সোনা কেনা এবং প্রকৃত চাহিদা বাড়ার কারণে সোনার বাজার আবারও শক্তিশালী অবস্থানে ফিরতে পারে।
এ ছাড়া ব্যাংকটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সময়ে প্রতি আউন্স রুপার গড় দাম ৬০ থেকে ৬৫ ডলারের মধ্যে থাকতে পারে। ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ প্ল্যাটিনামের দাম ১ হাজার ৮০০ ডলার এবং ২০২৭ সালে ১ হাজার ৯৫০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। একই সময়ে প্যালাডিয়ামের দাম প্রতি আউন্স ১ হাজার ৩৫০ ডলারে উঠতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স