আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের ভোটে সরকার গঠনের পর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত শুরু করেছে সরকার। তার ভাষায়, ভোটের কালি নখ থেকে মোছার আগেই সরকার ধারাবাহিকভাবে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে।
শনিবার ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী ভাতা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মুসলিম ধর্মীয় নেতাদের পাশাপাশি হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মের পুরোহিত, সেবায়েত এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজের অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষদের সহায়তা করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন আর্থিক সহায়তা ও কর্মসংস্থানমূলক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে অর্থনৈতিক বৈষম্য কমে এবং দেশের সব নাগরিক উন্নয়নের সুফল পায়।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এটি সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে। এছাড়া আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা কৃষক কার্ড চালু করা হবে এবং ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আজ থেকে ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচিও চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলদের এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
তিনি বলেন, নাগরিকদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করেই একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব। নাগরিকরা দুর্বল থাকলে রাষ্ট্রও শক্তিশালী হতে পারে না।
প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রথম পর্যায়ে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ৪৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের মোট ১৬ হাজার ৯৯২ জন ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে আরও অনেককে এই কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তিনি ধর্মীয় নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সমাজের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় ধর্মীয় নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।