আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে মাঠে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর অনুপস্থিতিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর বিপুল ভোটে জয়ের সম্ভাবনা জোরালো হয়ে উঠেছে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। ফলে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা হারান। আইনজীবীরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় এই আসনে হাসনাত আবদুল্লাহর বিপক্ষে হেভিওয়েট কোনো প্রার্থী না থাকায় ভোটারদের মধ্যে আগেভাগেই জয়ের আভাস দেখা যাচ্ছে।
এই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আবদুল করিম (হাতপাখা), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী ইরফানুল হক সরকার (আপেল) এবং গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিন (ট্রাক) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ মজিবুর রহমান প্রতীক বরাদ্দ পেলেও পরে হাসনাত আবদুল্লাহকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।
স্থানীয় ভোটারদের মতে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে কেউই প্রভাবশালী না হওয়ায় হাসনাত আবদুল্লাহর জয় অনেকটাই নিশ্চিত। সেলিম আহমেদ নামের এক ভোটার বলেন, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীই ছিলেন হাসনাতের একমাত্র শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় জয়ের পথ অনেকটাই পরিষ্কার।
আরেক ভোটার আহমেদ জোবায়ের বলেন, মুন্সী নির্বাচনে থাকলে প্রতিযোগিতা হতো। এখন পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে হাসনাত আবদুল্লাহ বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।
এ বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিন বলেন, জোটের প্রার্থী হিসেবে তিনি শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন এবং বিজয়ের ব্যাপারেও আশাবাদী।
এদিকে শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিএনপির কুমিল্লা বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া জানান, কেন্দ্রীয়ভাবে এখনো কোনো নির্দেশনা আসেনি। নির্দেশনা পেলে দলীয় নেতাকর্মীরা সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে।