আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: নড়াইল-২ আসনের জামায়াতে ইসলামের সংসদ সদস্য মো. আতাউর রহমান সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার অর্থ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সরকারকে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে ভাতাভোগীর নামে বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও বিকাশ বা নগদ নম্বর অন্য কারও প্রায়শই স্থানীয় মেম্বার বা চেয়ারম্যানের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, নাম থাকছে আব্দুর রহিমের, কিন্তু নম্বর স্থানীয় জনপ্রতিনিধির।
অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, যদি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি সরকারদলীয় না হন, তাহলে স্থানীয় সরকারদলীয় নেতাকর্মীরা ভাতা বিতরণ ও অন্যান্য সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করে। এতে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা অনেক সময় কেবল প্রতীকী অবস্থানেই থাকে। তিনি জানতে চেয়েছেন, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে সরকারের পদক্ষেপ কী হবে।
জবাবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন বলেন, বিষয়টি সংসদের কার্যতালিকায় না থাকায় লিখিত নোটিশ আকারে প্রশ্ন উত্থাপনের জন্য সংসদ সদস্যকে অনুরোধ করা হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম দূর করে সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রান্তিক বয়স্ক বা অসহায় মানুষ নিজেরা মোবাইল ব্যবহার করতে পারেন না, তাই তারা ছেলে, নাতি বা আত্মীয়ের নম্বর ব্যবহার করে। এই কারণে কিছু অসংগতি দেখা দিতে পারে। সরকার নিশ্চিত করবে, ভাতার অর্থ প্রকৃত উপকারভোগীর কাছেই পৌঁছাবে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘এই ভাতা ৫০০ বা ৭০০ টাকা হলেও অনেক মানুষের জন্য তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই যার টাকা, তা যেন তার কাছেই পৌঁছায়, সেদিকে আমাদের নজর থাকবে।’