আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার একটি দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও দরজা-জানালা বন্ধ রেখে পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র লেখার সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অনিয়মের প্রতিবাদ করায় এক শিক্ষার্থীকে কেন্দ্র সচিবের ধমকের মুখেও পড়তে হয়েছে।
রোববার শঠিবাড়ী ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে গণিত পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সাংবাদিকদের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও কয়েকটি কক্ষে শিক্ষার্থীরা লিখে যাচ্ছেন। এক কক্ষে নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট পরেও পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র লিখতে দেখা যায়। দায়িত্বে থাকা এক পরিদর্শক খাতা সংগ্রহে বিলম্বের কারণ হিসেবে ‘স্ট্যাপলার না থাকা’র কথা উল্লেখ করেন।
রওশন হাবিব নামে এক পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তাদের কক্ষে সময়মতো খাতা জমা নেওয়া হলেও পাশের কক্ষে দরজা-জানালা বন্ধ করে বই দেখে লেখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছিল। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় কেন্দ্র সচিব আবদুল লতিব মিয়া তাকে ধমক দেন বলেও অভিযোগ ওঠে।
ঘটনাস্থলে থাকা এক সাংবাদিক জানান, কেন্দ্র সচিব প্রথমে সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেন এবং পরে সিসিটিভি ফুটেজে এক পরীক্ষার্থীর মোবাইল ব্যবহারের দৃশ্য দেখা যায়। পরবর্তীতে তল্লাশিতে একটি মোবাইল ফোনে বহুনির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর সংবলিত বার্তা পাওয়া গেছে বলেও জানা যায়।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে কেন্দ্র সচিব বলেন, ঝড়-বৃষ্টির কারণে খাতা সংগ্রহে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে, কোনো অনিয়ম হয়নি।
মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. পারভেজ জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।