আওয়ার টাইমস নিউজ।
নিউজ ডেস্ক: দেশের শিক্ষা অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এসএসসি পরীক্ষাকে ঘিরে সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাংশ পরীক্ষার্থী অভিযোগ তুলেছে, নবনির্বাচিত শিক্ষা মন্ত্রী এহসানুল হক মিলন দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই পরীক্ষায় কঠোর নিয়ম আরোপ করেছেন, যা তাদের জন্য অপ্রত্যাশিত ও মানসিকভাবে চাপ সৃষ্টি করেছে।
শিক্ষার্থীদের দাবি, এসএসসি পরীক্ষার মাত্র আড়াই থেকে তিন মাস আগে হঠাৎ করে এমন কঠোর নীতিমালা কার্যকর করায় তারা প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বিপাকে পড়েছে। অনেকেই বলছে, এই পরিবর্তন যদি এক বছর পর থেকে কার্যকর করা হতো, তাহলে তারা মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেত।
সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একটি অনলাইন ভোটাভুটিতে প্রায় ১১ হাজার শিক্ষার্থী শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছে, বিপরীতে প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থী তার পক্ষে মত দিয়েছে। এতে স্পষ্টভাবে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশের অসন্তোষ প্রতিফলিত হয়েছে।
ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা আরও বলছে, অতীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল। ফলে বর্তমান এসএসসি পরীক্ষার্থী ব্যাচের অনেকেই জীবনে প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ বোর্ড পরীক্ষার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। করোনা মহামারির সময় অটোপাসের কারণে তারা বাস্তব পরীক্ষার অভিজ্ঞতা থেকেও বঞ্চিত ছিল।
এই প্রেক্ষাপটে হঠাৎ কঠোর নিয়ম আরোপকে তারা ‘অন্যায্য’ হিসেবে দেখছে। অনেকের মতে, এতে তাদের মধ্যে ভয় ও অনীহা তৈরি হয়েছে, যা পরীক্ষার প্রতি আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে।
তবে এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো জানা যায়নি। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে কোনো সিদ্ধান্ত আসে কিনা, সেটাই এখন দেখার বিষয়।