আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: কুমিল্লা জেলা পরিষদের অর্থ বরাদ্দ নিয়ে ওঠা বিতর্কের মধ্যে ফেসবুক লাইভে এসে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। প্রায় ৪৩ মিনিটের লাইভে তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে প্রচারিত ১০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ বিভ্রান্তিকর এবং প্রকৃত তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
রোববার মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সম্প্রচারিত লাইভে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সংশ্লিষ্ট অর্থ কোনো ব্যক্তির কাছে যায়নি; বরং স্থানীয় সরকার বিভাগের বিশেষ বরাদ্দ হিসেবে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় করা হয়েছে।
তিনি জানান, তার নির্বাচনী এলাকা দেবীদ্বারে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এডিপি ও অন্যান্য বরাদ্দ মিলিয়ে মোট ৮ কোটি ৪২ লাখ টাকার ১৪৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের তথ্য সরকারি ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত রয়েছে এবং যে কেউ তা যাচাই করতে পারেন।
হাসনাতের দাবি, রাজস্ব খাত ও উন্নয়ন বরাদ্দের পার্থক্য না বুঝেই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া অর্থকে ব্যক্তিগতভাবে গ্রহণ করা হয়েছে বলে প্রচার করা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
সাম্প্রতিক সময়ে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসকের এক বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ওই বক্তব্যে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নামে মোট ২৫ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
তবে পরে বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসক জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে অর্থ গ্রহণের কথা বলেননি; বরং উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বরাদ্দ দেওয়া অর্থের প্রসঙ্গ তুলে ধরেছিলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জনগণের অর্থ কোথায় এবং কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, সে বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি নিয়মিত তথ্য প্রকাশ করে আসছেন। একই সঙ্গে তিনি নাগরিকদের যেকোনো তথ্য বিশ্বাস করার আগে যাচাই করার আহ্বান জানান।