১৬ জুন, ২০২৪, ৯ জিলহজ, ১৪৪৫
সর্বশেষ
আজ থেকে শুরু হলো পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা
হজ করতে আসা আফ্রিকার যুবকের যেই ছবি কাঁদিয়েছে বহু মানুষকে
বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পূর্ব আফ্রিকার দেশ মালাবির ভাইস প্রেসিডেন্ট’সহ সব আরোহীর মর্মান্তিক মৃত্যু!
আফ্রিকার পক্ষ থেকে ম্যাচ সেরা পুরস্কার পাওয়া অস্ট্রেলিয়ান আম্পায়ারের জ্ঞানহীন ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই ম্যাচ হেরেছে বাংলাদেশ মন্তব্য ক্রিকেট বিশ্লেষকদের
গাজায় নি’কৃ’ষ্ট জাতি ই’স’রাইলি হা’য়ে’নাদের হামলায় ২৮৩ জন ফি’লিস্তিনি নিহত! এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৩৭ হাজার ছাড়াল
ভারতের বিপক্ষে আমিরদের বিধ্বংসী বোলিংয়ের পরও হাস্যকর ব্যাটিংয়ে লজ্জাজনক ভাবে হারল পাকিস্তান
গাজার শরণার্থী শিবিরে নি’কৃ’ষ্ট ই’সরায়েলি হায়েনাদের হামলায় কমপক্ষে ২১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত
বেনজীর-আজিজদের অপকর্মের কারণেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বললেন রানা দাশগুপ্ত
তাওহীদ হৃদয় ও বুড়ো মাহমুদুল্লার বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে চিরশত্রু শ্রীলঙ্কাকে বিধ্বস্ত করলো বাংলাদেশ দল
জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে” ১৬ জুন সৌদি আরবে পবিত্র ঈদুল আজহা

অ্যান্টার্টিকায় গলছে ভারত ও মিশরের সমান বরফখণ্ড!

আওয়ার টাইমস নিউজ।

দক্ষিণ গোলার্ধে ও দক্ষিণ মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে বিশাল বরফখণ্ড গলছে – যা আয়তনে ভারত ও মিশরের সমবেত এলাকার প্রায় সমান! বছরের এ সময় অভূতপূর্বভাবে সেখানকার বরফ নিম্ন স্তরে নেমে গেছে। প্রতি বছর এ বরফ ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে তার সর্বনিম্ন স্তরে সঙ্কুচিত হয়। এ বছর ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে বরফ সর্বনিম্ন মাত্রায় (৬ লাখ ৯১ হাজার বর্গমাইলে) পৌঁছেছে। শীতকালে তা আবার তৈরি হয়। কিন্তু এ বছর বিজ্ঞানীরা ভিন্ন কিছু লক্ষ্য করেন!

মহাসাগরের বরফ প্রত্যাশিত মাত্রার কাছাকাছি কোথাও ফিরে আসেনি! সাগরের নিম্ন স্তরে যেতে যেতে প্রায় অদৃশ্য হওয়ার পথে। বিজ্ঞানীরা এর কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।

জুলাই’র মাঝামাঝি সময়ে অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের বরফ ছিলো ১ মিলিয়ন বর্গমাইল – যা ১৯৮১ থেকে ২০১০ সালের গড় থেকে কম। এটি ভারত ও মিশরের সমবেত অঞ্চলের মতো বিশাল এলাকা। বরফ গলে যাওয়ার ঘটনাটিকে কিছু বিজ্ঞানী ব্যতিক্রমী হিসাবে বর্ণনা করেন – যা লাখ লাখ বছরে একবারেই ঘটে! কলোরাডো বোল্ডার ইউনিভার্সিটির গ্ল্যাসিওলজিস্ট টেড স্ক্যাম্বোস বলেন: ’সিস্টেমটি যেভাবে হতো, তা বদলে গেছে।’ জলবায়ু সংকট ত্বরান্বিত হওয়ার সাথে সাথে সাগরের বরফ নিচের দিকে যাচ্ছে। এতে উষ্ণতা আরো বাড়তে পারে বলে বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন।

অ্যান্টার্কটিকা দক্ষিণ গোলার্ধের দ্রততম উষ্ণায়নের স্থানগুলোর অন্যতম। সাগরের বরফের অভাব তার বন্য-জীবনের ওপরও উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। তিমি, পেঙ্গুইন ও সিল খাবার ও বিশ্রামের জন্যে সাগর বরফের ওপর নির্ভর করে। সাগর বরফ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে অবদান রাখে। বরফ গলে গেলে, তা তাপমাত্রার ওপরও প্রভাব ফেলবে। বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন, বিশ্বব্যাপী সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১০ ফুট বেড়ে যেতে পারে। সূত্র: সিএনএন।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

ফেসবুক পেজ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

Archive Calendar
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© ২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত