
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মো. সাহাবুদ্দিন। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসেই তিনি বঙ্গভবন ছাড়তে পারেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বঙ্গভবনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসা গ্রহণ এবং পূর্ণ বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন। হৃদরোগের পাশাপাশি স্নায়বিক জটিলতাও ধরা পড়েছে বলে জানা গেছে। এ অবস্থায় দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়া তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রপতি ইতোমধ্যে তার ঘনিষ্ঠজন ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পদত্যাগের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। কয়েকদিন আগে যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার পর আবার বিদেশে চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও জানা গেছে।
তবে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে সরকার এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল ব্যক্তি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সংবিধান অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবি বিভিন্ন মহল থেকে উঠেছিল। সে সময় বঙ্গভবন ঘেরাওসহ নানা কর্মসূচিও পালিত হয়। পরে রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিষয়টি আর এগোয়নি।
পরবর্তীতে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও রাষ্ট্রপতিকে সরানোর আলোচনা হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের সঙ্গে তার দূরত্ব বেড়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।
বঙ্গভবনের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়টি আনুষ্ঠানিক রূপ পেতে পারে।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নির্বাচিত হয়ে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. সাহাবুদ্দিন।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। নতুন রাষ্ট্রপতি শপথ নেওয়ার আগ পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।




























