আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: বগুড়ার সাতটি আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগে বিএনপি ও জামায়তের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হওয়ার আভাস পাওয়া গেছে। উন্নয়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান এবং স্থানীয় নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতাই এবারের ভোটের মূল নির্ধারক হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
মোট ২৯ লাখ ৮১ হাজার ৯৪০ ভোটার বগুড়ার ১২ উপজেলা ও ১১ পৌরসভা জুড়ে ৯টি রাজনৈতিক দলের ৩৪ জন প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছেন। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলবে বিএনপি ও জামায়তের মধ্যে। বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রার্থী হওয়ার কারণে ভোট ব্যবধান তুলনামূলকভাবে বেশি।
বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে নদীভাঙন ও কৃষকের পণ্যের ন্যায্যমূল্য, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে উন্নয়ন কাজের হিসাব এবং বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদীঘি) আসনে রেল যোগাযোগ ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন ভোটারদের প্রধান দাবি। বগুড়া-৪, ৫ ও ৭ (শেরপুর-ধুনট-গাবতলী) আসনে কৃষিভিত্তিক উন্নয়ন, শিল্পপার্ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন গুরুত্ব পাচ্ছে।
নির্বাচনকে ঘিরে তরুণ ভোটাররা শুধু প্রতীক বা পরিচিতি দেখে ভোট দেবেন না; তারা কর্মসংস্থান, স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশী। বগুড়া-৬ আসনের ভোটার ইউনুস শেখ রোহান বলেন, শিক্ষার মান উন্নত করা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিই দেশের সঠিক উন্নয়নের পথ।
নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং ভোটারদের নিরাপত্তা সম্পর্কে স্থানীয় প্রশাসন সতর্ক। ভোটের পরিবেশ মোটামুটি ভালো থাকলেও কিছু জায়গায় আইডি কার্ডের ছবি তোলা এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা জানিয়েছেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে জেলা ও দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। জামায়াতের নেতারা নির্বাচনে আশাবাদী হলেও বিএনপি’র প্রার্থীরা পরীক্ষিত এবং গ্রহণযোগ্য বলে ভোটে এগিয়ে থাকবেন।