হাদিসের আলোকে একে অপরের প্রতি সম্মান।

0

Our Times News

সম্মান পেতে হলে অপরকে সম্মান দিতে হয়। কাছে টেনে নিতে হয়। নিজের আসনে বসাতে হয়। আপন করে নিতে হয়। সাধ্যমত সম্মান প্রদর্শন করতে হয়।
একজন ভদ্র ও সুস্থ বিবেকের অধিকারী মানুষের পরিচায়ক হচ্ছে সে অপরের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করে কথা বলবে। আদব কায়দা বজায় রেখে আচরণ করবে।

কারণ সকলেই জানি বুঝি উপলব্ধি করি যে, “ব্যবহারে বংশের পরিচয় “। শব্দ প্রয়োগে সতর্কতা অবলম্বন করবে। সচেতনার পরিচয় দিবে। কটুবাক্য ব্যবহার করবে না। কটুকথা বলবে না। সম্মানহানি হয় এমন শব্দ চয়ন করবে না। নাম ব্যঙ্গ করে ডাকবে না। মা বাবা নিয়ে কথা বলবে না। বংশ নিয়ে কথা বলবে না। এলাকা নিয়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করবে না। কারণ যে কাউকে এগুলো উল্লেখ করে হেয় করলে কষ্ট পায়। মনঃক্ষুণ্ন হয়।

হযরত উমর রা. একদা বক্তৃতা দানকালে বলেন, কোনো ব্যক্তির বাহ্যিক জাঁকজমক দেখে তোমরা তার ভক্ত হয়ে যেও না। বরং প্রশংসার উপযুক্ত তো সে, যে আমানত (আল্লাহর হক এবং বান্দার হক) আদায় করে এবং লোকদের ইযযত ও সম্মানের উপর হস্তক্ষেপ করা থেকে বিরত থাকে।
[আল্লাহওয়ালাদের মাকবুলিয়্যতের রহস্য]

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)বলেছেন, অন্যায়ভাবে কোন মুসলিমের মানহানি করা নিকৃষ্টতম সুদ।
সুনানে আবু দাউদ- হাদিস নং ৪৮০০

রাসূল সা. প্রত্যেক ব্যক্তির সাথে তার মর্যাদা অনুসারে আচরণ করার আদেশ করেছেন।
আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মানুষকে তার পদমর্যাদা অনুযায়ী সম্মান করো।
সুনানে আবু দাউদ হাদিস নং ৪৮৪২

গোত্রপতির সাথে ভালো আচরণ করার আদেশ ও রাসূল সা. করেছেন।
ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের নিকট কোন সম্প্রদায়ের সম্মানিত ব্যক্তি এলে তোমরা তাকে যথাযথ সম্মান করো।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস নং ৩৭১২
আল্লাহ তায়ালা আমাদের বুঝার তাওফিক দান করুন।

 

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে