আওয়ার টাইমস নিউজ।
সম্পাদকীয় কলামঃ দেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোট শুধু একটি ভোট নয়; বরং এটি হলো দেশের সুন্দর ভবিষ্যতের মহা গুরুত্বপূর্ণ সংকেত, স্বাধীনতার পুনর্গঠন এবং গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার মাপকাঠি। দেশের মানুষের জীবনযাত্রা, স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব, সবকিছুই আজ এই ভোটের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
হ্যাঁ ভোটের পক্ষে দাঁড়ানো মানেই, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, গণতান্ত্রিক সংস্কার, এবং ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের চূড়ান্ত অবসান নিশ্চিত করা। এটি কেবল একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়; বরং এটি দেশের প্রতি গভীর ভালবাসা দায়বদ্ধতার প্রকাশ।
যারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের ত্যাগকে সম্মান জানানোও এই ভোটের উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম। দ্বিধাদ্বন্দ্ব বা বিভ্রান্তিতে থাকা মানুষদের জন্য স্পষ্ট করে বলা যায়, না ভোট বা দ্বিধান্বিত অবস্থান শুধু বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতিবিম্ব। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, যারা ফ্যাসিবাদী শাসন, আধিপত্যবাদ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করতে চায়, তারা জনগণের ভোটকে তাদের সুবিধার জন্য ব্যবহার করতে চাইবে। তাই হ্যাঁ ভোটের মাধ্যমে এই সমস্ত অপশক্তিকে চূড়ান্তভাবে প্রতিহত করা সম্ভব।
ফ্যাসিবাদ শুধু একটি রাজনৈতিক ধারা নয়। বরং এটি হলো মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ, ক্ষমতার একনায়কত্ব, জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতা চূর্ণ করা। হ্যাঁ ভোটের বিজয় মানে, আমরা দেশের জনগণের স্বাধীন চিন্তাভাবনা, মানবাধিকার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে অটুট রাখার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছি। এটি আমাদের জন্য একটি জাতীয় দায়িত্ব, যা আমরা দল-মত নির্বিশেষে সকলে মিলে পালন করবো ইনশাআল্লাহ।
আজ দেশের জনগণ যে স্পষ্ট চেতনা প্রদর্শন করছে, তা প্রমাণ করে বাংলাদেশের মানুষ ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের জন্য কোন স্থান রাখে না। হ্যাঁ ভোট মানে কেবল একটি নির্বাচনী জয় নয়; এটি হলো দেশের ভবিষ্যতের ভিত্তি, স্বাধীনতার নিশ্চিতকরণ এবং ন্যায়, সত্য ও সার্বভৌমত্বের প্রতি আমাদের অটুট অঙ্গীকার। আমাদের আশা, এই গণভোটের মাধ্যমে আমরা একটি শক্তিশালী, স্বচ্ছ, এবং ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গঠন করতে পারবো। হ্যাঁ ভোটের বিজয় নিশ্চিত করবে, যে দেশটি আমরা চাই-নিরাপদ, স্বচ্ছ, মানবিক মূল্যবোধে পরিপূর্ণ এবং গণতান্ত্রিক-তা বাস্তবে রূপ নেবে।
ইনশাআল্লাহ, হ্যাঁ ভোটের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের কবর রচিত হবে এবং বাংলাদেশের জনগণ নতুনভাবে স্বাধীনতার চেতনায় একত্রিত হবে।
লেখকঃ হুসাইন আল আজাদ।
মুখপাত্রঃ জাতীয় বিপ্লবী মঞ্চ।
চেয়ারম্যান: MQ Global Foundation Bangladesh