অধিকৃত গোলান মালভূমি মুক্ত করতে পুরোপুরি প্রস্তুত নুজাবা আন্দোলন!

0

আওয়ার টাইমস্ নিউজ।
লেবাননের আল-ওয়াহেদ নিউজ ওয়েবসাইটে ইরাকের শিয়া সংগঠন আল-নুজাবার মুখপাত্র নাসের আশ-শামারী বলেছেন: আমার সংগঠন ২০১৭ সালে গোলান লিবারেশন ব্রিগেড নামে একটি শাখা প্রতিষ্ঠা করেছে – যারা সিরিয়ার প্রতিরোধকামী যোদ্ধাদের সাথে বিশেষভাবে কাজ করছে। তাদের সবার লক্ষ্য – কৌশলগত গোলান মালভূমি সিরিয়ার হাতে ফিরিয়ে আনা। আমার সংগঠনের যোদ্ধারা সিরিয়ায় উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে লড়াই করছে। তা সত্ত্বেও এসব যোদ্ধা ইহুদিবাদী ইসরাইল সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্যে বিশেষভাবে তৈরি হয়েছে এবং তারা তাদের পথে অটল থাকবে। এ ধরনের লড়াইয়ের জন্যে সংগঠনের এলিট যোদ্ধারা আলাদা রকমের চমৎকার কিছু প্রশিক্ষণ নিয়েছে এবং তাদের হাতে এমন যুদ্ধের জন্যে প্রয়োজনীয় অস্ত্রশস্ত্র রয়েছে। তারা শুধুমাত্র গোলান মালভূমি নয়, বরং ইহুদিবাদী ইসরাইলের গভীর অভ্যন্তরে হামলা চালানোর ক্ষমতা রাখে। গোলান মালভূমি মুক্ত করার জন্যে কাউন্ট ডাউন শুরু হয়েছে। এখন বাকিটা নির্ভর করছে সিরিয়ার ভাইদের উপর। তবে সকল আলামতই এ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ইসরাইলের অবসান অত্যাসন্ন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির এক শুনানিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিঙ্কেনকে প্রশ্ন করা হয় প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন গোলান মালভূমির ওপর ইসরাইলের ‘সার্বভৌম অধিকার’কে স্বীকৃতি দেয় কিনা? উত্তরে উনি বলেন: বৈধতার প্রশ্ন বাদ দিলে, গোলান মালভূমির ওপর বর্তমানে ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। যতোদিন সিরিয়া সীমান্তের ওপার থেকে ইসরাইলের জন্যে হুমকি বন্ধ না হচ্ছে, ততোদিন পরিস্থিতি এখন যেমন আছে – তেমনই থাকবে। আপাতত হুমকি বন্ধ হওয়ার কোনো আলামত দেখা যাচ্ছে না।

ব্লিঙ্কেনের এ বক্তব্য তীব্র ভাষায় প্রত্যাখ্যান করে সিরিয়া। সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার এক বিবৃতিতে বলে, অধিকৃত গোলান মালভূমি নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করছে আরব প্রজাতন্ত্র সিরিয়া।ইসরাইলি আগ্রাসন ওদখলদারিত্বের প্রতি আমেরিকার নিরবচ্ছিন্ন সমর্থনের ধারাবাহিকতায় ব্লিঙ্কেন ঐ বক্তব্য দিয়েছেন-যা নিন্দনীয়। ইসরাইল-অধিকৃত গোলান মালভূমি সিরিয়ার অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলো এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। ইহুদিবাদী ইসরাইল মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা বিশ্বের জন্য বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করছে।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০১৯ সালে গোলান মালভূমির ওপর ইহুদিবাদী ইসরাইলের দখলদারীত্বকে স্বীকৃতি দেন; যদিও জাতিসংঘ বা আন্তর্জাতিক সমাজ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তা মেনে নেয়নি। সূত্র: আল-ওয়াহেদ ও পার্সটুডে।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে