আবারো সেই সাদ হারিরী।

0

রিপোর্টার: সাইফুল ইসলাম।

১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সালের গৃহযুদ্ধের পর, চলতি বছর ৪ঠা আগস্ট বৈরুত বন্দরের গুদামে ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে হাসান দিয়াব সরকারের ইস্তফার পর, সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকটে রয়েছে লেবানন। এ থেকে নাজাত পেতে আবারো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সাদ হারিরী। গত বছর ২৯শে অক্টোবর বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেছিলেন তিনি।

আজ (বৃহস্পতিবার) লেবাননের প্রেসিডেন্ট মিশের আউন দেশটির সংসদীয় বিভিন্ন দল ও সাংসদের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সাদ হারিরীর নাম ঘোষণা করেছেন।

মোট ১২৮ সাংসদের মাঝে ৬৫ জনের, অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠ সাংসদের ভোটে চতুর্থবারের মতো দেশটির প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হন প্রভাবশালী সুন্নী মুসলিম রাজনীতিবিদ সাদ হারিরী। সাংসদদের ৫৩ জন ভোটদানে বিরত এবং ২ জন অনুপস্থিত ছিলেন।

সাদ হারিরীকে সমর্থন দেয়া দলগুলোর মাঝে রয়েছে – তাঁর নিজের দল ফিউচার মুভমেন্ট, স্পিকার নাবিহ বেররি’র নেতৃত্বাধীন দ্য শিয়া আমাল মুভমেন্ট, দ্রুজ নেতা ওয়ালিদ বেক জুমবালাতের প্রগ্রেসিভ সোসালিস্ট পার্টি, সিরিয়ান সোসালিস্ট ন্যাসনালিস্ট পার্টি ও স্বতন্ত্র সাংসদগণ। আর ভোটদানে বিরত থাকা দলগুলোর মাঝে রয়েছে প্রেসিডেন্ট আউনের ফ্রি পেট্রিয়টিক মুভমেন্ট।

ইরানের মদদপুষ্ট প্রভাবশালী শিয়া গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী পদে তারা কাউকে মনোনয়ন দিচ্ছে না। তবে এ প্রক্রিয়াকে তারা সহযোগিতা করবে।

প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হয়ে হারিরী দ্রুত সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন – যে সরকার দেশের সংকট সমাধান করবে এবং অর্থনীতির ধস ঠেকাবে।

তবে হারিরীর প্রধানমন্ত্রী হওয়াটা বিক্ষোভকারীদের জন্যে পরাজয় হতে পারে। কেননা, পরিবর্তনের দাবিতে তারা তাঁকে সংকটের জন্যে দায়ী করে আসছে। সূত্র: আল-জাজিরা ও বিবিসি।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে