ইউক্রেনকে সব রকম সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি এরদোয়ানের!

0

আওয়ার টাইমস্ নিউজ।
ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় সংঘাতপূর্ণ দনবাস এলাকা নিয়ে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মাঝে সামরিক উত্তেজনা চলছে। এলাকাটি নিয়ন্ত্রণ করে রুশপন্থী গেরিলারা। রুশ কর্মকর্তা দিমিত্রি কোজাক ইউক্রেনকে হুমকি দিয়ে বলেছেন: একটা গুলিও পায়ে নয়, মুখে চালানো হবে!

এমন পরিস্থিতিতে কৃষ্ণ সাগরের ওপারে মিত্র দেশ তুরস্কে ছুটে যান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলনস্কি। তার সাথে বৈঠকে এরদোয়ান বলেন: উদ্বেগজনক এ উত্তেজনা নিরসনে আমার দেশ সব ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। তুরস্কের লক্ষ্য হচ্ছে, কৃষ্ণ সাগরকে শান্তি ও সহযোগিতার সাগর হিসেবেই রাখা। আমাদের অভিন্ন অঞ্চলে আমরা উত্তেজনা বাড়াতে চাই না। আমরা ইউক্রেনের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সমর্থন জানাই। পাশাপাশি কৃষ্ণ সাগরের উপদ্বীপ ক্রিমিয়ার সাথে ইউক্রেনের পুনঃএকত্রীকরণ চাই। আমার সরকার ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার সাথে যুক্ত করে নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে না। দনবাস এলাকা নিয়ে রুশভাষী গেরিলা ও ইউক্রেনের সেনাদের মাঝে যে সংঘাত চলছে, তা আন্তর্জাতিক আইন মোতাবেক, শান্তিপূর্ণ উপায়ে নিরসন হওয়া দরকার।

এদিকে, গতকাল (রোববার) টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সরকারি দপ্তর ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন: ইউক্রেন সংঘাতে রাশিয়া কোনো পক্ষ নয় এবং তারা প্রতিবেশী ইউক্রেনের সাথে যুদ্ধেও জড়াবে না। অবশ্যই কেউ যুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে না। এ ধরনের যুদ্ধের সম্ভাবনাকে কেউ গ্রহণ করছে না। এর আগেও রাশিয়া বলেছে যে, দনবাস অঞ্চলের চলমান এ সংঘাতে মস্কো কোনাভাবেই জড়িত নয়। তবে দনবাসের রুশভাষী লোকজনের ভাগ্য থেকে রাশিয়া আলাদাও থাকবে না। সূত্র: ব্লুমবার্গ, ডয়চে ভেলে, দি গার্ডিয়ান ও পার্সটুডে।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে