জিনজিয়াংয়ে এক উইঘুর তুর্কি দম্পতিকে আটক করেছে চিনা পুলিশ!

0

আওয়ার টাইমস্ নিউজ।
দীর্ঘদিন ধরে তুর্কি নাগরিকত্ব থাকার অভিযোগে সংখ্যালঘু উইঘুর এক দম্পতিকে আটক করেছে চীনের জিনজিয়াং কর্তৃপক্ষ। এ দম্পতির মেয়ের দাবি – তার মা-বাবাকে ছেড়ে দেবে না বেইজিং। কেননা, তারা জিনজিয়াংয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনে সাক্ষী।

চীনের কার্গিলিক কাউন্টির ইয়াহইয়া কুরবান মাত্র পাঁচ বছর বয়সে পরিবারের সাথে তুরস্ক চলে যান। পরে তিনি তুর্কি নাগরিকত্ব পান। ২০১৭ সালের ১০ই সেপ্টেম্বর তিনি ও তার স্ত্রী আমিনে কুরবান (স্থানীয় বাসিন্দা) জিনজিয়াংয়ের রাজধানী ইউরুমকিতে দোকান পরিচালনার সময় আটক হন। ঐ ঘটনার পর থেকে তুরস্কে থাকা তাদের চার সন্তান তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারছে না। তাদের মেয়ে হানকিজ কুরবানের তৎপরতায় বেইজিংয়ে নিযুক্ত তুর্কি দূতাবাস খোঁজ-খবর শুরু করে। জিনজিয়াং কর্তৃপক্ষের সাথে কথোপকথনের পর তারাও ঐ দম্পতির বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারেনি।

হানকিজ বলেন: ৪০ বছর ধরে আমার মা-বাবা তুরস্কের নাগরিক। আমরা চারজন তাদের সন্তান। আমরা সবাই ইস্তাম্বুলে জন্ম নিয়ে বেড়ে উঠেছি। আমার বাবা-মা জিনজিয়াংয়ে ফিরে গিয়ে ব্যবসা করছিলেন। উইচ্যাটে আমার মা ভয়েস ম্যাসেজ পাঠিয়েছিলেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেছিলেন – তিনি আর আমার বাবা পুলিশ স্টেশনে এক রাত কাটিয়েছেন। পুলিশ তাদের নিয়ে যাচ্ছিলো। সে কারণে দূতাবাসে আমাদের যোগাযোগে করতে বলেছিলেন। সেটা ১১ই সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালের ঘটনা। পরে আমি তাদের সাথে ফোনে কথা বলার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তাদের ফোন বন্ধ রয়েছে। তাদের ম্যাসেজ দিয়েও ফলাবর্তন পাইনি। আমি মনে করি, আমার বাবা-মাকে এজন্যে আটক করা হয়নি যে, তারা কোনো অপরাধ করেছেন, বরং তারা চীন সরকারের কুকর্ম জেনে ফেলেছিলো বলেই তাদেরকে আটক করা হয়েছে। তুরস্কে তাদের ফিরে আসা ঠেকাতেই এটা করা হয়েছে। সূত্র: রেডিও ফ্রি এশিয়া।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে