চিনে উইঘুর মুসলিমদের উপর নির্যাতনকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিয়েছে, কানাডা সংসদ।

0

রিপোর্টার: সাইফুল ইসলাম।

বুধবার সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলমানদের বিরুদ্ধে চীনের নির্যাতন-নিপীড়ন ও নৃশংসতাকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিয়ে উইঘুর মুসলমানদের নির্যাতনের কারণে বেইজিংয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানিয়েছে কানাডার সংসদীয় সাব-কমিটি।

হাউস অব কমন্সের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিষয়ক সাব-কমিটি জানায়, চীনের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় স্বায়ত্বশাসিত জিনজিয়ান প্রদেশে সংখ্যালঘু উইঘুরদের বন্দীশিবিরে আটকে রাখা হয়েছে। তারা নানা ধরনের নৃশংসতার শিকার হচ্ছেন – যাদের অধিকাংশই মুসলমান। আমরা জিনজিয়ানে উইঘুর ও তুর্কি মুসলমানদের ওপর চীনের নির্যাতনের নিন্দা জানাই।

এতে ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টিসহ কানাডার তিনটি রাজনৈতিক দলই একাত্মতা প্রকাশ করে।

২০১৮ ও ২০২০ সালে উইঘুর নির্যাতন নিয়ে আন্তর্জাতিক তদন্তের দুটি প্রতিবেদনই সাব-কমিটির সামনে পেশ করা হয়। তথ্য প্রমাণ বিশ্লেষণ করে কমিটি জানায়, উইঘুরদের বিরুদ্ধে চীনের নির্যাতন জাতিসংঘের জেনোসাইড কনভেশন মোতাবেক গণহত্যার সামিল।

চীনা সরকারের গণহত্যার নিন্দা জানাতে কানাডার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দেশটির সাব-কমিটি। কমিটি জানিয়েছে, চীনা কমিউনিস্ট সরকারের প্রতি তারা নিন্দা জানাচ্ছে।

এছাড়া, চীনা সরকার যাতে জিনজিয়ানের উইঘুর বন্দীশালায় পর্যবেক্ষকদের প্রবেশ করতে দেয়, তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন টুড্রোকে পরামর্শ দিয়েছে সাব কমিটি।

এদিকে, কানাডার মুসলিম সহযোগিতা সংস্থা জাস্টিস ফর অল কানাডা টিম এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, উইঘুর নির্যাতনের বিরুদ্ধে সংসদীয় সাব-কমিটির কার্যকরী পদক্ষেপ এবং কানাডার সরকারকে চীনা কর্তৃপক্ষের নিন্দা জানানোর পরামর্শকে স্বাগত জানায় জাস্টিস ফর আল কানাডা টিম। নিষেধাজ্ঞাসহ সাব-কমিটির সব পদক্ষেপকে আমার সমর্থন করি। উইঘুর ও তুর্কি মুসলিমদের নির্যাতনে জড়িত চীনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা এবং তাদের বিচারের আওতায় আনার মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের জন্যে ন্যায় বিচার নিশ্চিতে আমরা সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। সূত্র: দ্য গ্লোব এন্ড দ্য মেইল।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে