তুরস্কের সাথে ভারতের সম্পর্কোন্নয়ন হবে কি?

0

রিপোর্টার: সাইফুল ইসলাম রুবাইয়্যাত।
আওয়ার টাইমস্ নিউজ: তুরস্ক-ভারত সম্পর্ক খারাপ হয় ২০১৯ সালে মোদী সরকার কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনকে বাতিল করলে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান তখন এ নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন ভারতের। তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদেও এ নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। ফলে, ঐ বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী তার তুরস্ক সফর বাতিল করেন এবং তুরস্কের সাথে কয়েক বিলিয়ন ডলার মূল্যে নৌ-অস্ত্র চুক্তি স্থগিত করেন।

তুরস্ককে এক হাত দেখে নিতে মাঠে নেমে পড়ে ভারতের মিডিয়া, কূটনীতিবিদ, সুশীল সমাজ ও গবেষণা সংস্থা। ভারতীয় মিডিয়া কয়েকটি কৌশলে প্রচার করতে থাকে তুরস্কবিরোধী ফেইক নিউজ বা ভুয়া খবর; যেমন-

১। দলিল-প্রমাণ ছাড়া তুরস্কবিরোধী বিভিন্ন ভুয়া আর্টিকেল প্রচার করে ভারত পরিচালিত নামকাওায়স্তে ওয়েবসাইটে।

২। ঐ ভুয়া খবরকে পরবর্তী সময়ে মেইনস্ট্রীম মিডিয়াতে ফলাও করে ছাপানো হয়।

৩। নামে-বেনামে তুরস্কের বিরুদ্ধে ব্ল্যাক-প্রোপাগান্ডা ছড়ায়।

খবরগুলোর শিরোনামে থাকে ইসলামফোবিয়ার (ইসলামভীতি) রমরমা উপস্থিতি। আর টার্গেটে থাকেন এরদোয়ান, তার পরিবার এবং তুরস্কের সরকারী-বেসরকারী সংস্থা। এ কাজে ভারত কাছে পায় গ্রীস, ইসরাইল, আর্মেনিয়া, আমেরিকা, সংযুক্ত আরব আমিরাত – এমনকি সউদী আরবকেও!

কাশ্মিরী ও ভারতীয়দেরকে তুরস্ক সরকারের দেয়া শিক্ষা বৃত্তি নিয়েও নয়াদিল্লীর অভিযোগের শেষ নেই। তুরস্ক নাকি এগুলো দিয়ে গেরিলা তৈরি করছে ভারতের মাটিতে! এমনকি তুরস্কের গণমাধ্যমে কর্মরত কাশ্মিরী বা পাকিস্তানী সাংবাদিকদেরকেও বিভিন্নভাবে হয়রানী করে ভারতীয় মিডিয়া।

তুরস্কের বিরুদ্ধে ভারতের সাইবার ও হাইব্রিড যুদ্ধ শুরু হয় ২০১৯ সালে। তখন একই সাথে মিডিয়া, গবেষণা সংস্থা, বিশেষজ্ঞ, কূটনীতিবিদ, সাবেক সরকারী ও সামরিক অফিসার, গোয়েন্দা সংস্থা – সব একত্রে ঝাঁপিয়ে পড়ে তুরস্কের ওপর। কারণ, পাকিস্তানের পরে মুসলিম জাহানে একমাত্র তুরস্কই কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যাম্পেইন করে। কাশ্মীর নিয়ে ব্যাপক খবর প্রচার করে তুর্কি মিডিয়া। বাবরি মসজিদ ধ্বংস নিয়ে ভারতীয় আদালতের হাস্যকর সেই রায়েরও ব্যাপক সমালোচনা করে তুরস্ক ও তুর্কি মিডিয়া।

তুরস্কের সমর্থনের কারণেই ভারত শত চেষ্টা করেও পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক মানি লন্ডারিং সংস্থার কালো তালিকাভুক্ত করতে পারেনি। তুরস্কের কারণেই পাকিস্তান নৌবাহিনী পাচ্ছে অত্যাধুনিক যুদ্ধ জাহাজ।

তুরস্ক ২০১০ সালে ভারতকে না নিয়েই আফগানিস্তান শান্তি আলোচনার কমিটি গঠন করে। ২০১৬ সালে ভারতের নিউক্লিয়ার সাপ্লাইয়ারস গ্রুপের সদস্যপদ ব্লক করে দেয় আঙ্কারা।

অন্যদিকে, ভারতের বিরুদ্ধে ছুঁড়ে দেয়া হয় ২০১৬ সালে তুরস্কে সংঘটিত ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের সহযোগীদের সমর্থনের অভিযোগ। তুরস্কের শত অনুরোধ সত্ত্বেও এ অভ্যুত্থানের হোতা ফেতুল্লাহ গুলেন পরিচালিত স্কুল ও থিংক ট্যাঙ্কগুলো বন্ধ করেনি ভারত, বরং সেগুলোকে তুরস্কের বিরুদ্ধে আরো ফুসলিয়ে দিয়েছে।

এছাড়াও ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সাথে এক হয়ে তুরস্কে আস্তে আস্তে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা সক্রিয় হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন তুরস্কের বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী সংস্থায় কৌশলে ঢুকে পড়েছে বলেও অনেকের ধারণা।

ভারত-তুরস্কের সম্পর্কের ইতিহাস

২০১৮ সালের আগ পর্যন্ত তুরস্ক ও ভারতের মাঝে সম্পর্ক স্বাভাবিক ছিলো। সম্পর্কের উত্থান-পতন হয়েছে। কিন্তু বর্তমানের মত এতো খারাপ পর্যায়ে পৌঁছায়নি। দুদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৪৮ সালে। তারপর ঠাণ্ডা যুদ্ধের সময় তুরস্ক ন্যাটো সদস্য হিসেবে মার্কিন বলয়ে এবং ভারত সোভিয়েত বলয়ে অবস্থান নেয়।

১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে এবং ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে তুরস্ক পাকিস্তানকে সমর্থন দেয়। অপরদিকে, ১৯৭৪ সালে সাইপ্রাসে পরিচালিত তুরস্কের সামরিক অভিযানে ভারত জোরেশোরেই তুরস্কের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। এভাবে চলে আশির দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত।

এরপর সম্পর্ক উন্নত হয়। ১৯৮৬ সালে তুরস্কের তৎকালীন বিপুল জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী তুরগুত ওজল ভারত সফর করেন। দু বছর পর, অর্থাৎ ১৯৮৮ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী তুরস্ক সফর করেন। সম্পর্ক আরো উন্নত ২০০০ সালে – যখন তুরস্কের সংখ্যালঘু কোয়ালিশন সরকারের প্রধান, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বুলেন্ত এজেভিত ভারত সফরে যান এবং সেখানে তিনি কাশ্মীর নিয়ে ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করেন। তখন তিনি পাকিস্তান সফর না করেই ফিরে আসেন। ফলে, নয়াদিল্লী যারপরনাই খুশি হয়। আর তুরস্কের সাথে সম্পর্কোন্নয়নে মনোযোগ দেয়।

এরপর এরদোয়ানের শাসনামলে ২০০৩ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী তুরস্ক সফরে এসে অনেকগুলো চুক্তি করেন। ২০০৮ সালে এরদোয়ান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভারত সফর করেন। ২০১০ সালে তৎকালীন তুরস্কের রাষ্ট্রপতি আব্দুল্লাহ গুল ভারত সফর করেন। ২০১৭ সালে এরদোয়ান আবার ভারত সফর করেন। ২০১৩ সালে ভারতের প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জি তুরস্কে আসেন। ২০১৫ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তুরস্কে আসেন। ২০১৯ সালেও তার আসার কথা ছিলো। কিন্তু পরে কাশ্মীর ইস্যুর কারণে বাতিল করেন।

ভারত-তুরস্কের বাণিজ্যিক সম্পর্ক

দু দেশের বাণিজ্যিক ভলিউম ২০০০ সালে ৫০৫ মিলিয়ন ডলার থেকে ২০১৮ সালে এসে দাঁড়ায় প্রায় ৯ বিলিয়ন (৮.৭ বিলিয়ন) ডলারে। এতে ভারতের ভাগ ৭.৫ বিলিয়ন ডলার আর তুরস্কের ভাগ মাত্র ১.১ বিলিয়ন ডলার।

ভারত-তুরস্কের মাঝে কি সম্পর্কোন্নয়ন সম্ভব?

কয়েক সপ্তাহ ধরে দু দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠক করছেন এবং সুসম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইচ্ছা পোষণ করেছেন। ২৯শে মার্চ তুরস্ক ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা তাজিকিস্তানের রাজধানী দুশাম্বেতে দেখা ও বৈঠক করেছেন। সেখানে তারা অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কোন্নয়নের আশার কথা বলেছেন। এর দুদিন আগে ২৭শে মার্চ তুরস্কের রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা ফোনে কথা বলেছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাথে। তখন ভারতে করোনা মহামারী মোকাবেলায় তুরস্ক সাহায্য পাঠানোরও ইচ্ছা পোষণ করে; যদিও তুরস্ক থেকে সাহায্য নিতে আগ্রহী না ভারত। তবে দু দেশ সম্পর্কোন্নয়নে আগ্রহী এবং এ ব্যাপারে তারা ব্যাকচ্যানেল ডিপ্লোম্যাসি চালিয়ে যাচ্ছে বলে আমার বিশ্বাস।

দুদেশ কেন সম্পর্ক উন্নত করতে চাচ্ছে?

আসলে দু’দেশই পড়েছে বিভিন্ন রকম অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক চাপে। তাদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে একে অপরের প্রয়োজন; যেমন- চতুর্মুখী আক্রমণে হাঁপিয়ে উঠেছে মোদী সরকার। দেশের ভেতর জনপ্রিয়তায় ধস। করোনার কারণে অর্থনীতিতে ধস। চীনের কাছে সীমান্তে পরাজয়। চীন-পাকিস্তান দ্বৈত ফ্রন্ট মোকাবেলার হিম্মত হারিয়েছে ভারত। আঞ্চলিকভাবে বন্ধুহীন হয়ে পড়েছে দেশটি। সারা বিশ্বে মোদীর কারিশমায় ফানুস ফুটে গেছে। আমেরিকার নতুন বাইডেন সরকারকে পরম বন্ধু হিসেবে কাছে পাচ্ছে না নয়াদিল্লী।

বাইডেন সরকারের বঙ্গোপসাগরে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতির পরিকল্পনা ভারতকে ভাবিয়ে তুলছে। অন্যদিকে, রাশিয়া থেকে এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনা নিয়ে আমেরিকার সাথে সম্পর্ক অবনতির সম্ভবনা আছে ভারতের। চীনের ব্যাপক সামরিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শক্তি অর্জন। এগুলো সব আসলে ভারতকে নতুন বন্ধু খুঁজতে বাধ্য করেছে। এছাড়াও চীনের সাথে তুরস্কের সম্পর্ক। তুরস্ক থেকে চীন পর্যন্ত বাণিজ্যিক ট্রেন চালু। এগুলোও ভাবিয়ে তুলছে ভারতকে।

বেইজিং তুরস্ককে এ অঞ্চলের প্রধান খেলোয়াড়ের ভূমিকায় দেখতে চায়। দেশটি তুরস্কের সাথে আরো বেশি বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী। তাতে ভারতের ৮ বিলিয়ন ডলারের এ তুর্কি বাজারটি হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা আছে। অন্যদিকে, তুরস্ক ইরান হয়ে পাকিস্তানে ট্রেন লাইন চালু করেছে। আফগানিস্তানে তুরস্ক প্রধান খেলোয়াড়ের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। ভবিষ্যতে হয়তো আফগানিস্তানের নিরাপত্তার দায়িত্ব পড়তে পারে তুরস্কের ওপর। কিন্তু সেখানে ভারতের ব্যাপক বিনিয়োগ আছে। এছাড়াও গ্রীস, ইসরাইল, আরব আমিরাত ও সউদী আরবের সাথে তুরস্ক সম্পর্কোন্নয়নের চেষ্টা করেছে। অথচ এ দেশগুলো ছিলো ভারতের তুরস্কবিরোধী বন্ধু রাষ্ট্র। এ সবকিছুই আসলে ভারতের স্বার্থের বিরুদ্ধে যাচ্ছে।

সুতরাং তুরস্ককে শত্রুতা বজায় রেখে এ বিভিন্ন ফ্রন্টে ক্ষতির মুখামুখি হতে চাচ্ছে না ভারত। তাই, দেশটির সাথে সম্পর্কোন্নয়নে আগ্রহী মোদী সরকার। ভারত চাচ্ছে – তার অর্থনৈতিক কূটনীতি ব্যবহার করে তুরস্কের ওপরে প্রভাব বিস্তার করতে যেনো তুরস্ক পাকিস্তান ও কাশ্মীর থেকে হাত গুঁটিয়ে নেয়। আর তুরস্ক চাচ্ছে – ভারত থেকে আরো বেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে এবং ভারতে তার রপ্তানি বাড়াতে। ইতিমধ্যে অবশ্য এর আভাসও পাওয়া গেছে! ভারতের কাশ্মীর দখলের বর্ষপূর্তিতে, অর্থাৎ ৫ই আগস্ট ২০২০ সালে এরদোয়ান কাশ্মীর নিয়ে কোনো কথাই বলেননি! কিছুদিন আগে তুরস্ক-ভারত বিজিনেস কাউন্সিল একটি চুক্তি করে। তাতে আছে – ভারত ও তুরস্কের ব্যাংকের মাঝে লেনদেন সহজ করা।

ভারত-তুরস্ক পারস্পরিক যত বিনিয়োগ

ভারতের TAFE ট্রাক্টর, Mahindra, Sonalika, Tata সহ আরও অনেক কোম্পানি মোট ১২৫ মিলিয়ন ডলারের বিনয়োগ করছে তুরস্কে। ভারত সরকার গান্ধী ফেস্টিভাল, বলিউড ফিল্ম ফেস্টিভাল, রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর ফেস্টিভাল, ইন্ডিয়া বাই দ্যা বসফরাস ফেস্টিভ্যাল, হোলি ফেস্টিভ্যাল, যোগ ব্যায়ামসহ আরো অনেক ভারতীয় কালচারাল প্রোগ্রামের আয়োজন করে তুরস্কে।

অন্যদিকে, তুরস্ক তার রপ্তানি পরিকল্পনার শীর্ষ ১৭ দেশের তালিকায় রেখেছে ভারতকেও। বর্তমানের সাড়ে ৮ বিলিয়ন ট্রেড ভলিউমকে আগামী কয়েক বছরে ২০ বিলিয়ন ডলার করতেও আগ্রহী উভয় দেশ। তুরস্কের বড় বড় কোম্পানি ভারতের মুম্বাই সাবওয়ে, লাখনোউ সাবওয়ে, পুনে সাবওয়ে, জম্মু-কাশ্মীরের রেলওয়ে টানেলসহ প্রচুর আবাসন প্রকল্প তৈরি করছে।

তুরস্কের চেলেবি কোম্পানি ভারতের দিল্লী, মুম্বাই, আহমেদাবাদ ও হায়দ্রাবাদসহ সাতটি বিমানবন্দরের বিমান ও কারগো পরিচালনায় গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং সার্ভিস দিয়ে থাকে। ভারতে তার কর্মচারী আছে প্রায় ৭,৮০০। এছাড়াও তুরস্কের Koc Holding, Arcelik A.S, Dogus Holding Dogus Construction, Celebi Holding, Orhan Holding, সহ আরও অনেক টার্কিশ কোম্পানি মোট ২২৩ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ করেছে ভারতে।

তুরস্কে প্রায় আড়াই লাখ ভারতীয় পর্যটক ঘুরতে আসেন। এছাড়াও ভারতীয় ধনকুবেররা বিয়ের জন্যে তুরস্ককে বেছে নিতে শুরু করেছে!

সুতরাং ভারত যেমন তুরস্কের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি বাজার; তেমনি তুরস্কও ভারতের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ বাজার। এমন বাজার কিছুতেই হাতছাড়া করতে চাইবে না তারা। তবে পাকিস্তান ও কাশ্মীরের প্রতি তুরস্কের মনোভাব কী হবে, সেটা অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ। আর ভারতের তুরস্কবিরোধী মিডিয়া ও গোয়েন্দা কার্যক্রম বন্ধ হবে কিনা, সেটাও দেখার বিষয়। কিন্তু ভারতও যেহেতু পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে কিছু গোপন বৈঠক করেছে আর তুরস্কও তার পররাষ্ট্রনীতিতে কিছু পরিবর্তন নিয়ে এসেছে – সেহেতু দু’দেশই উইন-উইন পজিশনে কিছু কিছু বিষয়ে ছাড় দিয়ে সম্পর্ক উন্নয়েন যেতে পারে। সূত্র – মূল: সারোয়ার আলম, চিফ রিপোর্টার, আনাদোলু নিউজ, তুরস্ক।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে