তুরস্ক ও ইরাকের মাঝে শুরু হচ্ছে রেলযোগাযোগ!

0

আওয়ার টাইমস্ নিউজ।
বৃহস্পতিবার ইরাকি মন্ত্রী নাসের হুসেইন বন্দরের সঙ্গে বৈঠকের আগে ইস্তাম্বুলে এক সংবাদ সম্মেলনে তুরস্কের পরিবহন ও অবকাঠামোমন্ত্রী আদিল কারাইসমাইলুগলু বলেছেন: ইরাকের অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা সুদৃঢ় করতে চায় তুরস্ক। নতুন একটি স্থল সীমানা ক্রসিং খুলে দিয়ে সরাসরি রেল যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা আমাদের অগ্রাধিকারের মাঝে রয়েছে। ইরাকি জনগণের জীবনমান উন্নয়নে তুরস্ক বিভিন্ন প্রকল্প শুরু করতে চায়।

ইরাকি মন্ত্রী বন্দর বলেন: এ ক্ষেত্রগুলোতে পরস্পরকে সহযোগিতায় দু দেশ আগ্রহী। রেলওয়েকে আমরা সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি। দক্ষিণের প্রদেশ বসরার আলফাউ গ্রান্ড পোর্ট থেকে একটি রেলওয়ে লাইন রাজধানী বাগদাদ পর্যন্ত যাবে। এরপর এটি তুর্কি সীমান্ত পর্যন্ত সম্প্রসারিত হবে। বর্তমানে আমাদের রেলওয়ে যোগাযোগের কাজ চলছে। আমরা তুরস্ক থেকে কিছু বড় কনস্ট্রাকশন মেশিনারি ও গাড়ী কিনেছি। উত্তর থেকে দক্ষিণে ক্রুড অয়েল পরিবহনের জন্যে আমরা তুরস্ক থেকে বড় বড় ট্রাক আমদানি করেছি। তুরস্কের সহায়তায় ইরাকের বিমান চলাচল সমস্যার সমাধানও হবে।

দু মন্ত্রীর মাঝে মটরওয়ে, রেলওয়ে ও বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে যৌথ পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। ইরাক সরকার ডিসেম্বরে আলফাউ গ্রান্ড পোর্টের প্রথম ধাপ নির্মাণের জন্যে দক্ষিণ কোরিয়ার দাইউ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন-এর সঙ্গে ২ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করে।

সুয়েজ খালকে বাইপাস করে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের মাঝে নাতিদীর্ঘ করিডোর নির্মাণের আশায় ইরাক যে প্রকল্পগুলো হাতে নিচ্ছে, সেসবের মাঝে এটিও একটি।

এখন মালবাহী জাহাজগুলোকে রিসিভ করতে ইরাককে মূলত দক্ষিণের উম-কাসর বন্দরের ওপর নির্ভর করতে হয় – যা কৌশলগত উপসাগরীয় জলপথের শীর্ষবিন্দুতে অবস্থিত। ফাউ বন্দর আরো গভীর হলে, বড় কন্টেইনার জাহাজগুলো সেখানে ভিড়তে পারবে।

তুরস্ক ও ইরাকের মাঝে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্যে বর্তমানে হাবুর সীমান্ত গেইট ব্যবহৃত হয়। রেল যোগাযোগ শুরু হলে দু দেশের বাণিজ্যে গতি বাড়বে। সূত্র: ডেইলি সাবাহ।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে