নামাজ পড়তে দেয়া হতো না; বোমাবাজ বলা হতো

0

আওয়ার টাইমস্ নিউজ।
ফের বর্ণবাদ বিতর্কে উত্তাল ইংলিশ ক্রিকেটাঙ্গন। সম্প্রতি পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত মুসলিম ক্রিকেটার আজিম রফিকের বর্ণবাদের অভিযোগে বিবিসির রেডিও শো থেকে বিতাড়িত হয়েছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন। একই অভিযোগে পদত্যাগ করেছেন কাউন্টি দল ইয়র্কশায়ারের চেয়ারম্যান রজার হাটন। এ ঘটনা নিয়ে যখন ইংলিশ ক্রিকেটে তোলপাড় চলছে, তখন বর্ণবাদ আচরণের আরো এক গুরুতর অভিযোগ নিয়ে হাজির এসেক্সের সাবেক মুসলিম ক্রিকেটার জোহেব শরীফ (৩৮)।

ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে আজিম রফিকের বর্ণবাদের অভিযোগের রেশ টেনে সম্প্রতি বৃটিশ ট্যাবলয়েড দ্য মিররকে দেয়া সাক্ষাৎকারে নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতা এভাবেই শেয়ার করেন জোহেব শরীফ: রফিকের সাথে আমার অভিজ্ঞতায় অনেক মিল খুঁজে পাচ্ছি। আর তা হচ্ছে, তাতে রফিক খুব ভালোভাবে সবার নজরে এনেছে। ৯/১১-এ আমেরিকার টুইন টাওয়ার ও পেন্টাগনে সন্ত্রাসী হামলার পরদিন আমি অনুশীলন করতে মাঠে যাই। সেদিনই আমার এসেক্সের সতীর্থরা আমাকে ‘বোমাবাজ’ বলে ডাকা শুরু করে। শুধু তা–ই নয়, তখন আমাকে ‘কারি মাঞ্চার’ বলে ডাকার বিষয়টিও ওদের কাছে অনেক স্বাভাবিক ছিলো। তারা ঠাট্টা-মশকরা করে আমাকে ‘বোমাবাজ’ বললেও আমার কাছে বিষয়টি বর্ণবাদ আচরণই মনে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তখন আমি কিছুই বলিনি। তরুণ সদস্য ছিলাম। তখন আপনিও এমন কিছু করতে চাইবেন না – যাতে মূল দলে যাওয়ার সুযোগ বাধাগ্রস্ত হয়। শুধু কটাক্ষেই নয়, ধর্মীয় বিধি-বিধান পালনেও বাধা পেতাম। মুসলিম হিসেবে নামাজ পড়তে মাঠের এক কোণা বেছে নিতাম। সেখানে আমাকে নামাজ পড়তে দেয়া হতো না। সিনিয়র এক খেলোয়াড় বলতেন: এভাবে নামাজ পড়লে, দেখতে খারাপ লাগে। তাই, আমি গাড়ীতেই নামাজ পড়তাম।

সূত্র: দ্য মিরর।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে