মুসলিম নারীদের গণধর্ষণ করে গর্ব করে নরপিচাশ চীনা পুলিশ বাহিনী!

0

আওয়ার টাইমস্ নিউজ।
এক সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন কেলবিনুর সিদিক। এরপর জোর করে তাঁকে শিনজিয়াংয়ের বন্দীশিবিরে শিক্ষকতা করতে পাঠানো হয়। বর্তমানে নেদারল্যান্ডে বসবাস করছেন তিনি। সিএনএনকে দেয়া তাঁর তথ্যে উইঘুর মুসলমান নারীদের গণধর্ষণে নতুন তথ্য উঠে এসেছে।

সিদিকি জানান, শিনজিয়াংয়ে চীনা সরকারের বন্দীশিবিরে প্রথম দিনে আমি দেখি – দুজন সেনা অল্প বয়সিনী উইঘুর এক নারীকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাচ্ছে। তার মাঝে প্রাণের কোনো স্পন্দন ছিলো না! সে শ্বাস নিচ্ছে না। শিনজিয়াংয়ের দুটি বন্দীশিবিরে ২০১৭ সালে ক-মাস শিক্ষকতা করি আমি। ওই ক্যাম্পে কর্মরত এক নারী পুলিশ পরে আমাকে জানায়, প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে পরে মেয়েটি মারা যায়! তবে কী কারণে রক্তক্ষরণ হয়, সে সম্পর্কে কিছু জানায়নি। ওই নারী পুলিশ আমাকে আরো জানায়-তার পুরুষ সহকর্মীরা ধর্ষণ করে গর্ব করতো! তারা যখন রাতে মদ খেতো – তখন তারা একে অপরকে বর্ণনা করতো যে, তারা কীভাবে উইঘুর মেয়েদের ধর্ষণ করে এবং নির্যাতন চালায়! ২০১৭ সালে বন্দীশিবিরে ক্লাস নিতে গিয়ে প্রায় ১০০ শিক্ষার্থী নারী-পুরুষকে হাতকড়া পড়া অবস্থায় দেখতে পাই!

সিদিকই শুধু চীনের বন্দীশিবিরে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেননি। দেশটির বন্দীশিবিরে আটক ছিলেন – এমন বহুজন এ বিষয়ে অভিযোগ করেছেন।

এছাড়া, সম্প্রতি বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, শিনজিয়াং প্রদেশে ১০ লাখের বেশি উইঘুর মুসলিমদের কথিত ‘পুনঃশিক্ষণ’ শিবিরে বন্দী করে রাখা হয়েছে। সেখানে মুসলমান নারীরা ধারাবাহিকভাবে ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। এ প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর,উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আমেরিকা ও বৃটেন। আর এমন প্রতিবেদন প্রকাশের পর,চীনে বিবিসির সম্প্রচার বন্ধ ঘোষণা করেছে দেশটি। সূত্র: সিএনএন ও বিবিসি।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে