যুক্তরাষ্টে কৃষ্ণাঙ্গ নারী হত্যার ন্যায়বিচারের দাবিতে অস্ত্র হাতে মিছিল ।

0

নিজস্ব প্রতিবেদক:

যুক্তরাষ্ট্রের কেনটাকি রাজ্যের বৃহত্তম শহর লুইভেলে একজন কৃষ্ণাঙ্গ নারীর হত্যাকান্ডের ন্যায়বিচারের দাবিতে ব্যাপক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মিছিল করেছে কৃষ্ণাঙ্গ প্রতিবাদকারীদের একটি গোষ্ঠী। শনিবার কৃষ্ণাঙ্গ মিলিশিয়া বাহিনী এনএফএসি পুলিশের গুলিতে নিহত ২৬ বছর বয়সী নারী ব্রেওনা টেইলরের জন্য ন্যায়বিচার দাবি করে রাস্তায় নামে। বিক্ষোভকারীদের উল্লেখযোগ্য অংশ আধাসামরিক বাহিনীর মতো কালো উর্দি পরে আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল ও শটগান নিয়ে সারিবেধে একটি নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে হেঁটে যায়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এ সময় পাল্টা-বিক্ষোভকারীদের একটি ছোট সশস্ত্র দলও কাছাকাছি উপস্থিত ছিল। একটি চৌরাস্তার মাঝখানে বেড়া দিয়ে সেখানে অবস্থান নিয়ে দুই পক্ষকে পৃথক করে রেখেছিল পুলিশ। চার মাস আগে ‘নো-নক’ ওয়ারেন্টধারী মাদক তদন্তকারীদের একটি দল লুইভিলে ইমার্জেন্সি মেডিকেল টেকনিশিয়ান টেইলরের ফ্ল্যাটে অভিযানে চালিয়েছিল। তখন পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন তিনি। ওই অভিযানের সঙ্গে যুক্ত একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে জুনে বরখাস্ত করেছে লুইভিলের পুলিশ বিভাগ। আরও দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতাম‚লক ছুটিতে পাঠানো হয়। কিন্তু তিন জনের কারও বিরুদ্ধেই ফৌজদারি কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। এনএফএসি গোষ্ঠীর নেতা জন ‘গ্রান্ডমাস্টার জে’ জনসন টেইলরের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তদন্তের গতি বাড়াতে ও আরও স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্ত করার আহবান জানিয়েছেন। লুইভিল কুরিয়ার জার্নালের ভাষ্যমতে এক ভাষণে জনসন বলেছেন, “তোমরা যদি আমাদের কিছু না জানাও তাহলে আমরা ভাববো তোমরা কিছু করছ না।” অপরদিকে, কানাডার আলবার্টার আইনসভার সামনে শনিবার বিকালে একদল কৃষ্ণাঙ্গ অভিভাবক বর্ণবাদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে এক সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে আলবার্টার ব্ল্যাক প্যারেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ডায়ুডোনে বেসাসে বলেন, এটি একটি চলমান ইস্যু। আমরা পুরো আলবার্টায় বাবা-মায়ের কথা শুনছি। বলছি তাদের ছেলেমেয়েরা প্রতিনিধিত্বের অভাব বোধ করছে। অভিভাবকরা আরও বলেন, তারা চান আলবার্টার স্কুল বোর্ডগুলোতে বিভিন্ন শিক্ষক ও নেতাকে নিয়োগ দেয়া হোক, যাতে কৃষ্ণাঙ্গ শিক্ষার্থীরা তাদের সংস্কৃতি ভুলে না যায়। সমাবেশে অংশগ্রহণকারী আরও এক অভিভাবক উইলিয়ামস বলেন, তিনি প্রতিবাদে অংশ নিয়েছেন কেবল তার নিজের ছেলে নয়, অন্যদের সন্তানরা যাতে লেখারপড়ার বাইরেও সামাজিক নানা কর্মস‚চির অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে পারে। প্রতিবাদসভায় কৃষ্ণাঙ্গ অভিভাবকরা দাবি করেন, স্কুলগুলোতে কৃষ্ণাঙ্গ শিক্ষক এবং কৃষ্ণাঙ্গ পরিচালক নিয়োগ দিতে হবে এবং বৈষম্য দূর করতে হবে, যাতে করে তাদের সন্তানরা বৈষম্যের শিকার না হয়। ব্ল্যাক প্যারেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব আলবার্টার সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, কালো শিক্ষার্থীরা আলবার্টার স্কুলগুলোতে দুর্ব্যবহার, অপমানিত ও বৈষম্যের শিকার হয়। রয়টার্স, ওয়াশিংটন পোস্ট।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে