সাগরের ৮’শ মিটার গভীরে খোঁজ মিলেছে ইন্দোনেশিয়ার ডুবে যাওয়া সাবমেরিনের!

0

রিপোর্টার: সাইফুল ইসলাম।
আওয়ার টাইমস্ নিউজ: ৬ই জুলাই ১৯৮১ সালে তখনকার পশ্চিম জার্মানীর নির্মিত এবং বুধবার বালি সাগরে নিখোঁজ ইন্দোনেশিয়ার ডুবোজাহাজ কেআরআই নানগালার (৪০২) সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

গতকাল (রোববার) ইন্দোনেশিয়ার সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন: ক-দিন আগে নৌবাহিনীর নিখোঁজ সাবমেরিনটিকে তিন টুকরো হয়ে যাওয়া অবস্থায় সাগর তলায় পাওয়া গিয়েছে, এবং এটার ৫৩ জন ক্রুর সবাই নিশ্চিতভাবে মারা গেছেন! সাবমেরিনটি থেকে আমরা বার্তা পেয়েছি। এটি সাগরের ৮০০ মিটার গভীরে ডুবে গেছে। সিঙ্গাপুরের কাছ থেকে ধার নেয়া একটি উদ্ধারক যানের সাহায্যে ছবি তুলে আমরা এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছি। জাহাজের কিছু ভগ্নাবশেষ ও জায়নামাজের মতো কিছু জিনিস উদ্ধারের পর, আমরা নিশ্চিত হই যে, ডুবোজাহাজটি ডুবে গেছে। স্ক্যান থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, সাবমেরিনটি সাগরের সাড়ে ৮০০ মিটার (প্রায় ২৭৮৯ ফুট) গভীরে রয়েছে! সচল অবস্থায় এতো গভীরে যাওয়ার সক্ষমতা এটার নেই।

গতকাল নৌবাহিনীর প্রধান ইওদো মারগোনো বলেছেন: জাহাজ থেকে ভেসে আসা আরো কিছু জিনিস উদ্ধার করা হয়েছে। এসবের মাঝে রয়েছে – সাবমেরিনের নোঙর এবং ক্রুদের নিরাপত্তা স্যুট। কেআরআই নানগালা ভেঙে তিন টুকরো হয়ে গেছে! জাহাজের খোল, পেছনের অংশ ও মূল অংশ-সব আলাদা হয়ে গেছে! প্রধান অংশও ভেঙে গেছে। এর আগে কর্মকর্তারা বলেছিলেন: জাহাজটি নিখোঁজ হওয়ার সময় তাতে তিনদিনের অক্সিজেন ছিলো।

শনিবার মারগোনো বলেছিলেন: যেখান থেকে সাবমেরিনটি নিখোঁজ হয়েছে, তার কাছেই এর কিছু অংশ পাওয়া গেছে। স্ক্যান করে দেখা গেছে – ডুবোজাহাজটি সাগরের যতোটা গভীরে চলাচল করতে পারে, তার চেয়েও অনেক গভীরে তলিয়ে গেছে। ফলে, আমরা এটার ডুবে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেছি।

বালি দ্বীপের কাছে বালি সাগরে মহড়া চলাকালে সাবমেরিনটির সাথে বুধবার সকালে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তখন এটি ডুব দেয়ার অনুমতি চাচ্ছিলো। সূত্র: বিবিসি বাংলা ও অন্যান্য।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে