হজ্বে‌ যাওয়ায়,কুরআন তেলাওয়াত ও পর্দা করায়, মুসলিমদের গ্রেপ্তার করেছে চীন!

0

রিপোর্টার: সাইফুল ইসলাম।

আকসু দপ্তরের ২ হাজারের বেশি বন্দীর ফাঁস হওয়া তালিকা যাচাই-বাছাই করে বুধবার (৯ ডিসেম্বর ) আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, উইঘুর মুসলিমরা হজে গেলে এবং কুরআন শরীফ তেলাওয়াত ও পর্দা করলে, তাদেরকে গ্রেপ্তার করতো চীন। তাছাড়া, মুসলিমদের সম্পর্ক, যোগাযোগ ও ভ্রমণ ইতিহাসের ওপর নজর রেখে তাদের বন্দী করা হতো। এছাড়া, মুসলিমদের দমনে চীন প্রযুক্তিরও ব্যবহার করেছে।

মায়া ওয়াং নামে এক সিনিয়র চীনা এইচআরডব্লিউ গবেষক জানান, আকসুর তালিকা থেকে কীভাবে চীন শিনজিয়াংয়ে তুর্কি মুসলিমদের তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে দমন-নিপীড়ন চালায়, তার ভয়ানক বর্ণনা পাওয়া গেছে!

এইচআরডব্লিউ মেছাল হিসেবে দুটি ঘটণা উল্লেখ করেছে। প্রথমটি – ১৯৮০ সালে এক ব্যক্তি কোরআন তেলাওয়াত করলে এবং ২০০০ সালে স্ত্রীকে পর্দা করতে দিলে, চীন ঐ ব্যক্তিকে আটক করে। এরপর ২০১৩ সালে আকসুর বাইরে ভ্রমণ করায় এক নারীকে আটক করে চীন। ঐ নারী প্রথমে কাশগর এবং পরে হতানে এক রাত কাটিয়েছিলেন।

আকসুর তালিকা থেকে এইচআরডব্লিউ আরো জানায়, ভিপিএন ব্যবহার করে চ্যাট করায় ঐ অঞ্চলে অনেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

জাতিসংঘের ধারণা, ১০ লাখের বেশি তুর্কি মুসলমানের বেশিরভাগ জাতিগত উইঘুর। পশ্চিম জিনজিয়াংয়ে তাদেরকে বন্দী শিবিরে আটকে রাখা হয়েছে। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন – তাদেরকে আটকের উদ্দেশ্য ছিলো – তুর্কি মুসলমানদের ‘জাতিগত ও ধর্মীয় পরিচয় মুছে ফেলা’ এবং চীনা সরকারের প্রতি তাদের আনুগত্য নিশ্চিত করা। সূত্র: আল-জাজিরা।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে