মাসবুক ব্যাক্তির নামাজ পড়ার নিয়ম!

0

আওয়ার টাইমস্ নিউজ।
ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হচ্ছে নামাজ। নামাজ যথাসময়ে মনোযোগ দিয়ে আদায় করতে হবে। কেননা অমনোযোগী ব্যক্তির দোয়া রব্বুল আলামীন কবুল করেন না তাহলে নামাজ তো কবুলের আশায় করা যায় না। এজন্যই আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, তোমার নামাযের ততটুকু প্রতিদান পাবে যতটুকু তুমি বুঝে পড়েছ।

হাদিসের ভাষ্যমতে মতে মানুষ নামাযে দাঁড়িয়ে রব্বে কারিমের সাথে চুপিসারে কথা বলে। কানাঘুষা করে। তাই মনোযোগ দিয়ে একাগ্রতার সাথে নামাজ আদায় করতে হবে।

আজ যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছি তা হলো কখনো আমরা জামাতে শরীক হয়ে দেখি এক কিংবা দু’রাকাআত ছুটে যায় যাকে ইসলামি ফিকহের পরিভাষায় মাসবুক বলে।
মাসবুক নামাজ আদায় করতে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হয় এর দুটি বিষয় আজ প্রশ্নোত্তর আকারে তুলে ধরবো।

১. প্রশ্ন. মাসবুক ইমামের সাথে সালাম ফিরিয়ে ফেললে করণীয় কী?
উত্তর. মাসবুক ইমামের সাথে সালাম ফিরানোর তিন সুরত হতে পারে।
সুরতগুলো হলো-
১. ইমামের পূর্বে সালাম ফিরানো।
২. ইমামের সাথে সাথে সালাম ফিরানো।
৩. ইমামের পরে সালাম ফিরানো। (সাধারণত ইমামের পরই সালাম ফিরানো হয়)
প্রথম ও দ্বিতীয় সুরতে মাসুবকের উপর সেজদায়ে সাহু ওয়াজিব হবে না। তৃতীয় সুরতে সেজদায়ে সাহু ওয়াজিব হবে।
আল মুসান্নাফ ইবনে আব্দুর রাজ্জাক – ২.৩১৬
আল বাহরুর রায়েক – ১.৬৬২
আল ফাতাওয়া তাতারখানিয়া – ২.৪২৬
২. প্রশ্ন. মাসুবক ইমামের সাথে কী সাজদয়ে সাহুর সালাম ফিরাবে?
উত্তর , মাসুবক সালাম না ফিরিয়ে ইমামের সাথে সাজদায়ে সাহু করবে। কিন্তু মাসুবক যদি ভুলে ইমামের সাথে সেজদায়ে সাহুর সালাম ফিরিয়ে ফেলে তাহলে তার নামাজ নষ্ট হবে না। কারণ সেজদায়ে সাহু ইমামের নামাজের অন্তর্ভুক্ত।
ফাতাওয়া শামী -২.৫৪৬। লেখক: মুফতী আব্দুল্লাহ ইদরীস)

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে