চুল পড়া বন্ধ করতে আমলকীর ব্যাবহার বেশ কার্যকরী!

0

আওয়ার টাইমস্ নিউজ।
আমাদের দেশে অতিপরিচিত ও অত্যন্ত উপকারী একটি ফলের নাম হচ্ছে আমলাকী। এই আমলকিতে রয়েছে বিশেষ গুণাগুণ যা আপনার ত্বক ও চুলের বিভিন্ন সমস্যা দূর করবে খুব সহজেই।

আসুন এবার আমরা জেনে নেই রূপচর্চায় বিশেষ গুণসম্পন্ন আমলকী ব্যবহারের কিছু টিপস।

ব্রণের দাগ দূর করতে আমলকীর ব্যাবহার।
প্রাকৃতিক উপায়ে ব্রণের দাগ দূর করতে সহায়তা করে আমলকী। আমলকীর রস মুখে মেখে ৩০ মিনিট পর ধুয়ে নিতে হবে ঊষ্ণ পানিতে। অনুভূতিপ্রবণ ত্বক হলে আমলকীর রসের সঙ্গে মিশিয়ে নিন সামান্য পানি। ভালো ফলের জন্য ব্যবহার করতে হবে নিয়মিত।

মুক্তি মিলবে মরা ত্বক থেকে: স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পাওে আমলকীর রস। এতে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বক সজীব ও টানটান করতে সহায়তা করে। এক চামচ আমলা পাউডার গরম পানিতে মিশিয়ে তৈরি করা পেস্টে মুখ স্ক্রাব করতে হবে। স্ক্রাব করার পাঁচ মিনিট পর মুখ ধুয়ে নিলেই হলো। এই পেস্টের সঙ্গে সামান্য হলুদ মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

চুল পড়া রোধে: চুল পড়া বন্ধ করতে আমলকী বেশ কার্যকর। প্রয়োজনীয় পরিমাণ শুকনো আমলকী পানিতে নিয়ে গরম করম করতে হবে। আমলকী ভালোভাবে সেদ্ধ হলে তা চটকে পেস্ট করে নিতে হবে। এই পেস্ট চুলের গোড়া ও পুরো চুলে লাগিয়ে কিছু সময় রেখে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে একদিন ব্যবহার করতে হবে এই প্যাক। ঔজ্জ্বল্য বাড়ানোর জন্য শুধু আমলকীর রসও ব্যবহার করা যায়। এক্ষেত্রে আমলকীর রস চুলে লাগিয়ে আধাঘণ্টা রেখে ধুয়ে নিতে হবে।

আমলকীর তেল তৈরির ঘরোয়া পদ্ধতি: তেল তৈরির জন্য প্রয়োজন টাটকা আমলকী ও নারকেল তেল। প্রথমে এক কাপ আমলকী ভালোভাবে ধুয়ে বিচি ছাড়িয়ে নিয়ে মিক্সারে গুড়ো করে নিতে হবে। এতে পানি ব্যবহার করা যাবে না।

এরপর একটি পাত্রে এক কাপ নারকেল তেল চুলায় গরম করতে দিতে হবে। তেল গরম হলে এতে দিয়ে দিতে হবে আমলকীর গুড়ো।

আমলকীর গুড়ো মিশ্রিত নারকেল তেল ফুটে ওঠার ১০-১৫ মিনিট পর তেল চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে কাঁচের জারে রাখতে হবে।

এই তেল চুলের গোড়া ও চুলে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপর চুল ধুয়ে নিতে হবে। এভাবে নিয়মিত আমলকীর ব্যাবহারে আপনার ছেলের ঘোড়া মজবুত হবে এবং চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে