পুষ্টিগুণে ভরপুর পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন।

0

আওয়ার টাইমস্ নিউজ।
আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পেয়ারা রাখতে পারন। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ও লাইকোপেন সমৃদ্ধ। ডায়াবেটিস রোগীর জন্যও পেয়ারা খুবই উপকারী। তাছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পেয়ারার রয়েছে আলাদা বৈশিষ্ট্য।

দেখতে পেয়ারা যেমন সুন্দর দেখা যায়, তেমন খেতেও অনেক সুস্বাদু। তাছাড়া এর পুষ্টিগুণও কিন্তু কম নয়। শরীরে যদি পুষ্টির ঘাটতি তৈরী হয় তাহলে এই ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে এই পেয়ারা। তাই এই সুস্বাদু ফলটি খাবারের নিয়মিত তালিকায় রাখতে পারেন।

পেয়ারায় যেহেতু প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন রয়েছে, তাই ভিটামিনের খনি হিসাবেও তাকে অভিহিত করা হয়। ঋতু পরিবর্তনের সময় এই ফল ভাইরাসজনিত সমস্যা থেকে দূরে রাখতে, বিশেষ সাহায্য করে থাকে।

পেয়ারা পরিপাকতন্ত্রকে সুগঠিত ও শক্তিশালী করতে বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এটি বিভিন্ন সংক্রামক রোধ, ও জীবাণু সংক্রমণের ভয় কমিয়ে দেয়। তাছাড়া আমাশয় আক্রান্ত ব্যক্তি নিয়মিত পেয়ারা খেলে বেশ উপকার পাবে। পাকা পেয়ারা কোষ্ঠকাঠিন্যের ভয় কমিয়ে দেয়। কোলন ক্যান্সার রোধেও এটি কম কার্যকরী নয়। প্রচুর পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এই ফলটি, ওজন কমাতেও বেশ কার্যকারী। এতে রয়েছে ডায়াটারি ফাইবার ও এমন শর্করা যা সহজে হজম করা যায়। পেয়ারা নিয়মিত খেলে, অতিরিক্ত ওজন কমানো সম্ভব, নিয়মিত ঠান্ডাজনিত সমস্যায় ভুগলে, পেয়ারা খেতে পারেন। কারণ এতে থাকা ভিটামিন ও পুষ্টি উপাদান ঠান্ডার সমস্যা থেকে দূরে রাখতে যথেষ্ট সাহায্য করে। আবার কচি পেয়ারা পাতা পানিতে ফুটিয়ে খেলেও সর্দি-কাশি ভালো হয়।

ডায়াবেটিস নামক নীরব ঘাতক থেকে বাঁচাতেও পেয়ারা যথেষ্ট ভূমিকা রাখে । এদিকে পেয়ারাতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স রয়েছে কম, যার কারণে এটি রক্তে থাকা শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। তাই নিয়মিত পেয়ারা খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে।

পেয়ারায় রয়েছে আরও অনেক গুণ।
পেয়ারা হলো ভিটামিন এ সমৃদ্ধ ফল, যা খেলে দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া চোখে ছানি পড়ার সমস্যাও দূর হয়ে যায়।

ত্বকের জন্যও পেয়ারা বেশ উপকারী।
ত্বকের সতেজতা ধরে রাখতে সাহায্য করে এ পেয়ারা।। তাই কেউ যদি নিয়মিত পেয়ারা খায়, তাহলে তার চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ে না, ত্বকও সুন্দর হয়ে উঠে।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে