রোগ প্রতিরোধে কাঁচা আমের আশ্চর্য ঔষধি গুণ!

0

আওয়ার টাইমস্ নিউজ।
বাজারে এখন প্রচুর কাঁচা আম পাওয়া যাচ্ছে। আমাদের দেশে ছোট বড় সকলেই আম খেতে খুব পছন্দ করে। কাঁচা আম আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী, এই প্রচুন্ড গরমে কাঁচা আমের এক গ্লাস শরবত আমাদের সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে দেয়। কাঁচা আমের আচার আমাদের দেশে খুব জনপ্রিয়, এই কাঁচা আম অনেক ভাবেই খাওয়া যায়। অনেকে ডালের সাথে খেতে পছন্দ করে, আবার কেউ কেউ কাঁচা আমের ভর্তা খেতে পছন্দ করে, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে, কাঁচা আম দিয়ে বিভিন্ন রকমের টক,ঝাল,মিষ্টি আচার।

কাঁচা আমের গুণাগুণ।
কাঁচা আমে রয়েছে ,পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, মিনারেল, ক্যারোটিন ও ভিটামিন, আয়রন, ফাইবার সহ আরও প্রচুর পুষ্টি গুণ।

‌‌কাঁচা আমের উপকারিতা।

১.কাঁচা আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

২.কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে, যার ফলে মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করে ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে।

৩.আম আশ ও ফাইবার যুক্ত, যার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে।

৪.কাঁচা আমে থাকা আয়রন আমাদের শরীরের রক্তের ঘাটতি পূরণ করে।

৫.প্রতিদিন ১ চা চামচ করে কাঁচা আমের শুকনো গুড়া খেলে, স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে।

৬.কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

কাঁচা আমে রয়েছে আরও অনেক গুণাগুণ।
যেমন কাঁচা আমে রয়েছে, ক্যারোটিন যা আমাদের চোখের জন্য খুবই উপকারী, তাছাড়া গরমে ডায়রিয়া, আমাশা, পাইলস, বদহজম, ঘামাচি, কোষ্ঠকাঠিন্য ও হার্টের রোগের জন্য কাঁচা আম খুবই উপকারী, গৃষ্মকালের স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমাতে সাহায্য করে এই কাঁচা আম।

সতর্কতাঃ
কথায় বলে অতিরিক্ত কোন কিছুই ভাল নয়, কাজেই অতিরিক্ত কাঁচা আম না খাওয়াই ভালো, এতে পেটে ডায়রিয়াজনিত সমস্যা হতে পারে।

আম কাটার সময় সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত কেননা আমের কস হাতে বা মুখে লাগলে চুলকানি বা ঘা হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে