কিশোরগঞ্জের হাওর যেন এখন রীতিমতো মরনফাদঁ।

0

OUR Times News

চারদিকে হাওর বিস্তৃত বিশাল জলরাশির যেন এক লীলাভূমি কিশোরগঞ্জ। দেশ বিদেশ হতে ছুটে আসছেন বিভিন্ন পর্যটক। উপভোগ করছেন কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী,ইটনা,মিটামইন,অষ্টগ্রাম,বালিখোলা ইত্যাদি স্থানের বিশাল জলরাশি ঘেরা হাওর।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গুলোতে বিভিন্ন পর্যটক তুলে ধরছেন কিশোরগঞ্জের হাওরের সৌন্দর্যতা। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন পর্যটক।

কিন্তু সেই হাওর যেন বর্তমানে মরনফাঁদে পরিনত হয়েছে। প্রায় নিয়মিত শুনা যাচ্ছে মৃত্যুর খবর।
হাওরাঞ্চলের এক বাসিন্দা বলেন গত কয়েকদিনের ব্যাবধানে এই মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৫০ ছাড়িয়ে গেছে।

স্থানীয় লোকজন বলছেন অনেক পর্যটক হাওর দেখার পাশাপাশি এখানে আসেন গোসল করতে ঢেউয়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাঁতার কাটার জন্য। অনেকে আবার ছুটে আসেন নৌকায়, কিন্তু আনন্দের কবলে পড়ে এসময় অনেকেই জিবনের নিরাপত্তার কথা ভুলে যান ফলে ঘটে যায় মৃত্যুর মত ভয়ানক ঘটনা।

আর এই আকস্মিক মৃত্যুর কবলে পড়ছেন যুবক,বৃদ্ধ,শিশু,নারী পুরুষ সবাই। হাওরাঞ্চলের এক বাসিন্দার দাবি হাওর ভ্রমন করতে এসে অনেকে আনন্দের কারনে নিজের জিবনের মূল্যের কথা ভুলে যান ফলে এরকম দূর্ঘটনার শিকার হন তারা।

গত কয়েকদিন আগে ইঞ্জিনচালিত যাত্রীবাহী একটি ছোট নৌকা করে পার হচ্ছিলেন ৮ জন। ঢেউয়ের কবলে পড়ে ডুবে যায় সেই নৌকাটি ফলে নিখোঁজ হন সালেহা (৬৫) নামের এক মহিলা পরদিন তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাকিরা পাশের একটি ছোট নৌকায় আশ্রয় নিয়ে প্রাণপণ মুক্তি পান।

২ আগষ্ট ইটনা এলাকায় যাত্রীবাহী নৌকা ডুবে নববধূ সহ তিনজনের মৃত্যু হয়।
এরপর ৪ ই আগষ্ট পর্যটকবাহী একটি নৌকা বিদ্যুতের তারে আটকে যায় ফলে বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে