চশমা থেকেও হতে পারে ঘাতক করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ!

0

আওয়ার টাইমস্ নিউজ।
পুরো বিশ্বজুড়ে মরনব্যাধী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। এর ফলে মানুষদের মধ্যে অন্যরকম এক ভয় ভীতিও জন্ম নিয়েছে। মানুষ এখন নিজেকে বাঁচাতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধের সমস্ত নিয়মাবলী মেনে চলছে, এর পরেও সামান্য কিছু অসতর্কতার কারণে কেউ কেউ আবার আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন এই ঘাতক ভাইরাসে। এর কারনেই পৃথিবীর সকল মানুষের জীবন এখন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
ঘাতক এই করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষ সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স বজায় রাখা, মাস্ক- গ্লাভস-চশমা-ফেস শিল্ড ব্যবহার,ও ভালো ভাবে হাত ধোয়া ইত্যাদি মেনে চলছেন। মানুষ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে এত নীয়মাবলী মানছেন, কিন্তু মানুষ চশমা ব্যবহার করে তা পরিষ্কারের ক্ষেত্রে কতটুকু গুরুত্ব দিচ্ছে? আমরা বাহির থেকে বাড়িতে এসেই মাস্ক ও গ্লাভস ভালো ভাবে ধুয়ে নিচ্ছি বা স্যানিটাইজ দিয়ে জীবাণু মুক্ত করছি। কিন্তু নিশ্চই চশমা পরিস্কার করতে ভুলে যাই। এবার চলুন জেনে নেই চশমা ব্যবহার ও পরিষ্কারের ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু-এর দেয়া নির্দেশিকাগুলো।
১) চশমা মাথার উপরে রাখা এবং যখন তখন খুলে পকেটে রেখে দেয়ার অভ্যাস ত্যাগ করবো।
২) আমরা বাহির থেকে বাড়িতে এসেই মাস্ক, গ্লাভস ও ফেস শিল্ড যেভাবে পরিষ্কার করছি, ঠিক সেভাবেই চশমাকে সাবান ও পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিবো এবং টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে নিবো।
৩) চশমা ব্যবহারের আগে আমরা ভালো করে সাবান দিয়ে নিজের হাত মুখ ধুয়ে নিবো। এরপর অবশ্যই চশমার ফ্রেম ও হ্যান্ডেল স্যানিটাইজার বা সাবান দিয়ে পরিষ্কার করবো।
৪) চশমা রাখার বাক্স ও চশমা পরিষ্কার করার টিস্যু আমরা নিয়মিত স্যানিটাইজ করবো, এবং চশমা রাখার আগে বাক্সটি স্যানিটাইজ করে নিবো।
৫) বাক্সের ভেতরে চশমা রাখার আগেই চশমাটি স্যানিটাইজ করবো এবং লেন্সের দিকটি উপরের দিকে রাখবো।
৬) অফিসের টেবিলে, বাথরুমের বেসিনের পাশে চশমা রাখলে তা পরার আগে অবশ্যই স্যানিটাইজ করবো।
৭) কেও যদি চশমা স্পর্শ তা অবশ্যই আমরা স্যানিটাইজ করবো। (সূত্র : বোল্ডস্কাই)

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে