রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কারণে কক্সবাজারে বন্ধ করা যাচ্ছে না মাদকের রমরমা ব্যবসা।

0

রিপোর্টার: মোর্শেদ আলম

বাংলাদেশের আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর কারনে কক্সবাজারে ইয়াবার ব্যবসা বন্ধই করা যাচ্ছে না। এখন রোহিঙ্গারা শরণার্থী ক্যাম্পকে ইয়াবার রুট হিসেবে ব্যবহার করছে। ক্যাম্পকেন্দ্রিক রমরমা ইয়াবা ব্যবসা গড়ে উঠছে। এবং সেখানে রোহিঙ্গা এই শরণার্থীরা জড়িয়ে পড়ছে আরো বিভিন্ন অপরাধের সাথে। এমনকি পুরো দেশে ইয়াবা ব্যবসার বিস্তৃতি ঘটানোর পেছনে রোহিঙ্গাদের একটা বড় ভূমিকা রয়েছে।” গতকাল রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে র‌্যাব-১৫ এর কার্যালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মত বিনিময়কালে র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার মোহাম্মদ আজিম আহমেদ এসব তথ্য জানান।
এ সময় তিনি আরও বলেন, “মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে এ সম্পর্কে সঠিক তথ্য উপাত্ত দিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা করতে হবে।”

এদিকে উইং কমান্ডার মোহাম্মদ আজিম আহমেদ বলেন, “ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত থাকা কেউই ছাড় পাবে না। শহর থেকে গ্রামে যেখানেই ইয়াবা ব্যবসায়ী থাকবে সেখানেই যাবে র‌্যাব। প্রয়োজন সঠিত তথ্যের।” দেশের স্বার্থে, ভবিষ্যত প্রজম্মকে গড়ে তুলতে মাদক নির্মূলে গণমাধ্যম সহ সবাইকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান এই উইং কমান্ডার। তিনি আরো বলেছেন
মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে গত ১৬ মাসে ধরে মাদকের বিরুদ্ধে র‌্যাব-১৫ এর অভিযান অব্যাহত আছে এবং আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।”
আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে কক্সবাজার জেলায় মাদক ব্যবসাকে নিয়ন্ত্রণে আনার জেলা পুলিশের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা সবসময় অপরাধ দমন ও মাদক নির্মূলে কাজ করছি, এ জন্য আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”
বৈঠকে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে র‌্যাব কর্মকর্তাদের জানানো হয়, ইদানিং সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার কমে আসলেও নতুন আসা রোহিঙ্গাদের মায়ানমারের সমস্ত পথঘাট জানা থাকায় তারাই এখন বেশি মাদক পাচার করছে। গণমাধ্যমকর্মীরা রোহিঙ্গা
শরণার্থীদের ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মিয়ানমারের সিম ব্যবহার বন্ধ করা, মাদকের সাথে পৃষ্ঠপোষকতাকারী জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের তালিকা প্রকাশ সহ তাদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এই মতবিনিময় সভায় র‌্যাব-১৫’র মেজর মেহেদী হাসান, সহকারী পুলিশ সুপার বিধান চন্দ্র কর্মকার সহ উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার এবং উখিয়ার বিভিন্ন প্রিন্ট, অনলাইন এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে