জীবন ধ্বং’স’কা’রী ভ’য়ংকর প’র্ণো ভিডিও আশক্তি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়।

0

আওয়ার টাইমস্ নিউজ।

ইসলাম ডেস্ক: এই পৃথিবীতে মানুষ জীবন ধ্বংসকারী যতরকম ভয়ংকর অপরাধী লিপ্ত থাকে, তার একমাত্র কারণ হচ্ছে আল্লাহকে ভয় না করা। একমাত্র আল্লাহকে ভয় করার মাধ্যমে মানুষ এসব ভয়ংকর জীবন ধ্বংসকারী কাজ থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারবে।

পৃথিবীর সূচনা লগ্ন থেকে কিবয়ামত অবধি মানুষের দ্বারা এই অস্থায়ী পৃথিবীতে যত অন্যায়, অত্যাচার, পাপাচার সংঘটিত হবে বা হচ্ছে তার মূলে রয়েছে মানুষের মধ্যে আল্লাহভীতির অভাব। আল্লাহভীতির অভাবে মানুষ আজ একে অপরকে পশুর মত যবাই করে, পাখির মত গুলি করে, সাপ পিটার মত পিটিয়ে নিঃশঙ্ক চিত্তে হত্যা করছে। আল্লাহভীতির অভাবে মানুষ আজ তাঁরই নেয়ামত খেয়ে-পরে তাঁরই ইবাদত বন্দেগী, বিধি-বিধান মানার ক্ষেত্রে বেপরোয়া থাকছে। আল্লাহভীতির অভাবে মানুষ তাঁরই যমীনে থেকে, তাঁর চোখের সামনে টিভির সিনেমা, নাটক ও মোবাইল, ল্যাপটপ, কম্পিউটারের সাথে সংশ্লিষ্ট ইন্টারনেটের নোংরা, অশ্লীল পর্ণো নিয়ে মগ্ন থাকছে। অথচ মহান আল্লাহ এমন একক সত্ত্বা যিনি নিমিষেই সুনামি, ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড় প্রভৃতির মাধ্যমে ধ্বংস করতে পারেন গোটা পৃথিবী। কাজেই সর্বক্ষেত্রে মহান আল্লাহকে ভয় করা যরূরী। মহান আল্লাহ তা’আলা কুরআনুল কারীমের বিভিন্ন জায়গায় তাঁকে ভয় করার কথা বলেছেন। যেমন তিনি বলেন,

وَاتَّقُوا اللَّهَ وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ مَعَ الْمُتَّقِينَ

‘আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। জেনে রেখ নিশ্চয়ই আল্লাহ মুক্তাক্বীদের সঙ্গে থাকেন’ (বাকারাহ ২/১৯৪)। মহান আল্লাহ বলেন,

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَكُونُوا مَعَ الصَّادِقِينَ

,হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সাথে থাক’ (তাওবা ৯/১১৯)।

মহান আল্লাহ বলেন, أَنَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنَا فَاتَّقُونِ ‘আমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। অতএব তোমরা আমাকে ভয় কর’ (নাহল ১৬/২)।

মহান আল্লাহ বলেন, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا ‘হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বল’ (আহযাব ৩৩/৭০)।

তিনি আরো বলেন, يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ

‘হে মানব জাতি! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর। যিনি তোমাদেরকে একজন মানুষ থেকে সৃষ্টি করেছেন’ (নিসা ৪/১)। আল্লাহর ভয়ে সকল পাপাচার থেকে বেঁচে থাকায় রয়েছে বিরাট উপকারিতা।

যেমন মহান আল্লাহ বলেন, وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَلْ لَهُ مَخْرَجًا ‘যে আল্লাহকে ভয় করে আল্লাহ তার জন্য মুক্তির পথ বের করে দেন’ (ত্বালাক ৬৫/২)।

আল্লাহ আরো বলেন, وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَلْ لَهُ مِنْ أَمْرِهِ يُسْرًا ‘যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার কাজ সহজ করে দেন’ (ত্বালাক ৬৫/৪)। আল্লাহভীতি অর্জনের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি সত্য-মিথ্যা, ন্যায়-অন্যায়ের জ্ঞান লাভ করতে পারে। ফলে আধুনিক জাহেলিয়াত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবে।

তিনি বলেন, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا إِنْ تَتَّقُوا اللَّهَ يَجْعَلْ لَكُمْ فُرْقَانًا وَيُكَفِّرْ عَنْكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ وَاللَّهُ ذُو الْفَضْلِ الْعَظِيمِ ‘হে ঈমানদারগণ! যদি তোমরা আল্লাহভীরু হও, তাহলে তিনি তোমাদের জন্য সত্য-মিথ্যা পার্থক্য করার পথ বের করে দিবেন এবং এর ফলে তোমাদের পাপসমূহ মোচন করবেন ও তোমাদের ক্ষমা করে দিবেন। বস্ত্ততঃ আল্লাহ হলেন মহা অনুগ্রহশীল’ (আনফাল ৮/২৯)।

মহান আল্লাহ বলেন, إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ ٌ ‘তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সে-ই অধিক মর্যাদাসম্পন্ন যে তোমাদের মধ্যে অধিক তাক্বওয়া সম্পন্ন’ (হুজরাত ৪৯/১৩)।

মহান আল্লাহ বলেন, الَّذِينَ اسْتَجَابُوا لِلَّهِ وَالرَّسُولِ مِنْ بَعْدِ مَا أَصَابَهُمُ الْقَرْحُ لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا مِنْهُمْ وَاتَّقَوْا أَجْرٌ عَظِيمٌ ‘যারা নিজেরা যখমপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও আল্লাহ ও রাসূলের ডাকে সাড়া দিয়েছিল, তাদের মধ্যে যারা সৎকর্ম করেছে ও আল্লাহভীরুতা অবলম্বন করেছে, তাদের জন্য রয়েছে মহান পুরস্কার’ (আলে-ইমরান ৩/১৭২)। আর সেই বিরাট পুরষ্কার হ’ল চিরসুখের স্থান জান্নাত।

মহান আল্লাহ বলেন, وَلَوْ أَنَّ أَهْلَ الْكِتَابِ آَمَنُوا وَاتَّقَوْا لَكَفَّرْنَا عَنْهُمْ سَيِّئَاتِهِمْ وَلَأَدْخَلْنَاهُمْ جَنَّاتِ النَّعِيمِ ‘আহলে কিতাবগণ ঈমান আনতো ও আল্লাহ ভীতি অবলম্বন করত, তাহলে আমরা অবশ্যই তাদের সমস্ত অন্যায় ক্ষমা করে দিতাম এবং তাদেরকে নে‘মতপূর্ণ জান্নাতে প্রবেশ করাতাম’ (মায়েদা ৫/৬৫)। যারা আল্লাহভীরু তাদের জন্য রয়েছে উদ্যানসমূহ যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে তারা স্থায়ী হবে, তাদের জন্য পবিত্র সঙ্গিনী এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি রয়েছে। হে পর্ণো ভোক্তা প্রিয় বন্ধু! জান্নাতের পবিত্র সঙ্গিনী পেতে দুনিয়ার নোংরা সঙ্গিনী ত্যাগ কর।

তিনি আরো বলেন, ‘কিন্তু যারা তাদের প্রতিপালককে ভয় করে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত, যার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত হয় নদীসমূহ। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। এটি হবে আল্লাহর পক্ষ হ’তে আতিথেয়তা। আর আল্লাহর নিকটে যা রয়েছে, সৎকর্মশীলদের জন্য তা অতীব উত্তম’ (আলে ইমরান ৩/১৯৮)।

তিনি আরো বলেন, ‘জনপদের অধিবাসীরা যদি বিশ্বাস স্থাপন করত ও আল্লাহভীরু হ’ত, তাহলে আমরা তাদের উপর আকাশ ও পৃথিবীর বরকতের দুয়ারসমূহ খুলে দিতাম। কিন্তু তারা মিথ্যারোপ করল। ফলে তাদের কৃতকর্মের দরুণ আমরা তাদেরকে পাকড়াও করলাম’ (আরাফ ৭/৯৬)। এমর্মে পরিশেষে বলতে চাই আল্লাহভীরু মানুষের জন্যই জান্নাত প্রস্ত্তত করে রাখা হয়েছে। কাজেই পর্ণোগ্রাফী, নোংরামি, অশ্লীলতা দেখা বন্ধ করে ঐ জান্নাতের দিকে ছুটে আসুন, যা মুত্তাকী মানুষের জন্য প্রস্ত্তত করা হয়েছে।

মহান আল্লাহ বলেন,وَسَارِعُوا إِلَى مَغْفِرَةٍ مِنْ رَبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا السَّمَوَاتُ وَالْأَرْضُ أُعِدَّتْ لِلْمُتَّقِينَ ‘আর তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের ক্ষমা ও জান্নাতের দিকে দ্রুত ধাবিত হও। যার প্রশস্ততা আসমান ও যমীন পরিব্যপ্ত। যা প্রস্ত্তত করা হয়েছে আল্লাহভীরুদের জন্য’ (আলে-ইমরান ৩/১৩৩)।

মহান আল্লাহকে ভয় করার মাধ্যমেই মানুষ দুনিয়ার সমস্ত গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে পারে।

অনেক পর্ণোভোক্তা আছেন যারা পিতা-মাতা, ভাই-বোন, আত্নীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের আড়ালে নোংরামি, অশ্লীল তা উপভোগ করেন। তারা এটা দেখে ফেলেন অপমানিত, লাঞ্ছিত, হেয়প্রতিপন্ন হতে হবে এরই ভয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে নোংরামি দেখেন। অথচ আল্লাহ বলছেন, ‘আমি তোমাদের প্রতিপালক। অতএব তোমরা আমাকে ভয় কর’ (মুমিনূন ২৩/৫২)। অতএব সকল ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করতে হবে

আমলে ছালেহ করা।

টিভিতে, কম্পিউটারে, স্মার্ট ফোনে, ল্যাপটপে সিনেমা, পর্ণোগ্রাফী দেখা নিঃসন্দেহে পাপের কাজ। তাই এগুলি উপভোগ করা বন্ধ করে আমলে ছালেহ করায় মনেনিবেশ করতে হবে।

মহান আল্লাহ বলেন, مَنْ عَمِلَ صَالِحًا مِنْ ذَكَرٍ أَوْ أُنْثَى وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَلَنُحْيِيَنَّهُ حَيَاةً طَيِّبَةً وَلَنَجْزِيَنَّهُمْ أَجْرَهُمْ بِأَحْسَنِ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ‘পুরুষ হৌক নারী হৌক মুমিন অবস্থায় যে সৎকর্ম সম্পাদন করে, আমরা তাকে পবিত্র জীবন দান করব এবং অবশ্যই তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম অপেক্ষা উত্তম পুরস্কারে ভূষিত করব’ (নাহল ১৬/৯৭)।

অন্যত্র তিনি বলেন, وَعَدَ اللَّهُ الَّذِينَ آَمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَهُمْ مَغْفِرَةٌ وَأَجْرٌ عَظِيمٌ ‘যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম সম্পাদন করে, আল্লাহ তাদের জন্য ক্ষমা ও মহা পুরস্কারের ওয়াদা করেছেন’ (মায়েদা ৫/৯; ফাতহ ৪৮/২৯)।

অন্যত্র তিনি বলেন, وَالَّذِينَ آَمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَهُمْ مَغْفِرَةٌ وَأَجْرٌ كَبِيرٌ ‘যারা অবিশ্বাস করে তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। আর যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্মাদি সম্পাদন করে, তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও মহা পুরস্কার’ (ফাতির ৩৫/৭)। وَمَنْ عَمِلَ صَالِحًا مِنْ ذَكَرٍ أَوْ أُنْثَى وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَأُولَئِكَ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ يُرْزَقُونَ فِيهَا بِغَيْرِحِسَابٍ ‘যে মন্দকর্ম করবে, সে তার অনুরূপ ফলাফল পাবে। আর যে সৎকর্ম করবে এমতাবস্থায় যে সে ঈমানদার, তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে যেখানে তাদেরকে অগণিত রিযিক দেয়া হবে’ (মুমিন ৪০/৪০)। وَمَنْ عَمِلَ صَالِحًا فَلِأَنْفُسِهِمْ يَمْهَدُونَ ‘আর যে ব্যক্তি (ঈমান আনে ও) সৎকর্ম করে, তারা তাদের জন্য (জান্নাতের পথ) সুগম করে’ (রূম ৩০/৪৪)। وَمَنْ يَأْتِهِ مُؤْمِنًا قَدْ عَمِلَ الصَّالِحَاتِ فَأُولَئِكَ لَهُمُ الدَّرَجَاتُ الْعُلَى ‘আর যে ব্যক্তি তাঁর নিকটে মুমিন অবস্থায় হাযির হয়, যে সৎকর্মসমূহ সম্পাদন করেছে, তাদের জন্য রয়েছে উচ্চ মর্যাদা সমূহ’ (ত্বোয়াহা ২০/৭৫)।

ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া :

বর্তমান পৃথিবীর অধিকাংশ শিক্ষা ব্যবস্থাই হ’ল নীতি-নৈতিকতা সারশূন্য। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অহি-র অভ্রান্ত সত্যের আলো না থাকায় মানুষ হচ্ছে প্রকৃত শিক্ষামুক্ত সনদ প্রাপ্ত ও সত্যের আলো বিচ্যুত গোমরাহ-পথভ্রষ্ট। যার ফলে তারা যে কোন অন্যায়-পাপাচার করে চলছে। এ শ্রেণী মানুষ দ্বারাই দেশে দুর্নীতি ও অবিচার সংঘটিত হয়। অথচ একমাত্র ইসলামী শিক্ষাই পারে মানুষের হাত, পা, চোখ, কান, মন, ও মস্তিষ্ককে আল্লাহর অনুগত করতে। তাই বলা যায়, ইন্টারনেটের নোংরামিসহ যাবতীয় পাপাচার থেকে বাঁচতে ইসলামী শিক্ষার জুড়ি নেই।

চোখ দিয়ে দেখতে হবে :

চোখ দিয়ে ন্যায় জিনিস দেখতে হবে, অন্যায় হারাম জিনিস দেখা যাবে না। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসী হবে নারী।[12] মহান আল্লাহ বলেন, وَلَقَدْ ذَرَأْنَا لِجَهَنَّمَ كَثِيرًا مِنَ الْجِنِّ وَالْإِنْسِ لَهُمْ قُلُوبٌ لَا يَفْقَهُونَ بِهَا وَلَهُمْ أَعْيُنٌ لَا يُبْصِرُونَ بِهَا ‘আমরা বহু জ্বিন ও ইনসানকে সৃষ্টি করেছি জাহান্নামের জন্য। যাদের হৃদয় আছে কিন্তু বুঝে না। চোখ আছে কিন্তু দেখে না। কান আছে কিন্তু শোনে না। ওরা হল চতুষ্পদ জন্তুর মত, বরং তার চাইতে পথভ্রষ্ট। ওরা হ’ল উদাসীন’ (আরাফ ৭/১৭৯)। আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে যে অন্তঃকরণ দান করছেন তা দিয়ে সত্য বুঝতে হবে বিশুদ্ধ আমল করতে হবে। নতুবা জাহান্নামের ভয়াবহ প্রজ্বলিত অগ্নিতে দগ্ধ হয়ে বলতে হবে। মহান আল্লাহ বলেন, وَقَالُوا لَوْ كُنَّا نَسْمَعُ أَوْ نَعْقِلُ مَا كُنَّا فِي أَصْحَابِ السَّعِيرِ ‘আর তারা বলবে, ‘যদি আমরা শুনতাম অথবা বুঝতাম, তাহলে আমরা জলন্ত অগ্নির অধিবাসীদের মধ্যে থাকতাম না’ (মূলক ৬৭/১০)। আল্লাহ আমাদের চোখ দিয়েছেন অবলোকন করার জন্য। তাই আমাদের উচিত ইনটারনেটে ছড়িয়ে থাকা কুরআন ও সহীহ সুন্নাহ ভিত্তিক লেখনি অবলোকন করা এবং আলেম উলামাদের কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহ ভিত্তিক যত লেকচার আছে তা সংগ্রহ পূর্বক শ্রবণ করা। এভাবে অন্তঃকরণ, চোখ ও শ্রবণ শক্তির সদ্ব্যবহার করা। আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে মহান আল্লাহকে ভয় করে সমস্ত প্রকার গুনাহ্ থেকে বেঁচে থাকার তাওফীক দান করুন আমীন।

লেখক: আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান | সম্পাদনা: আবু শুআইব মুহাম্মদ সিদ্দিক

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে