কাতার মিশন জয় করতে বড় দিল নিয়ে যাবে বাংলাদেশ!

0

নিজস্ব ক্রীড়া প্রতিবেদক।

করোনার ভয় এখন বিশ্বের সব জায়গায়। ইউরোপ-আমেরিকার কোনো দেশ বাকি নেই। বাংলাদেশ ফুটবল দল সাহসী হয়ে কাতারে গিয়ে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচ খেলার ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু করোনা সংক্রমণের জেরে ৪ ডিসেম্বর ম্যাচের আগে বাংলাদেশ দল কী দাঁড়ায়, তা নিয়েই রয়েছে সংশয়।

আশঙ্কাটা মাথায় নিয়েই কাতারযাত্রা করতে হবে বাংলাদেশকে। এই অঘটনের জন্য কি তৈরি বাংলাদেশ? হেড কোচ জেমি ডে করোনা আক্রান্ত হয়ে এখন আইসোলেশনে আছেন। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পালন করা স্টুয়ার্ট ওয়াটকিসের মাথায়ও আছে সেই শঙ্কা, ‘দলের চার-পাঁচজন কভিড আক্রান্ত হলে আমরা ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও টেকনিক্যাল কমিটির (দল কমিটি) কাছ থেকে মতামত চাইব ফুটবলের ইস্যুতে।

আমার মনে হয় ফেডারেশন ও ফিফা মিলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’ এখনো পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হচ্ছে, ১৯ নভেম্বর বাংলাদেশ দল কাতারের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বে। দোহায় পৌঁছানোর পরপরই করোনা পরীক্ষা হবে এক দফা। তিন দিন কোয়ারেন্টিনে থাকার পর বাংলাদেশ দল ট্রেনিং করতে পারবে একসঙ্গে। কিন্তু সেই পরীক্ষায় কয়েকজন ফুটবলার করোনা পজিটিভ হতে পারে, এই ভেবে ২৭ জনের স্কোয়াড নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল।

বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ বলেছেন, ‘করোনার চিন্তা মাথায় নিয়েই আমরা ২৭ জনের দল পাঠাব কাতারে। কোনো সমস্যা হলে যেন খেলোয়াড় বদল করতে পারি। তা ছাড়া ফিফার ম্যাচের আগের দিন পর্যন্ত খেলোয়াড় বদলানো যায়। শুধু ম্যাচের আগে ২৩ জনের স্কোয়াড দিতে হবে।’
অর্থাৎ প্রয়োজনে ঢাকা থেকেও বদলি ফুটবলার পাঠানো যাবে।

তবে বাংলাদেশ ফুটবলের এমন অবস্থা নেই যে মূল দলের কয়েকজন বাদ পড়লে অন্যদের দিয়ে সেই ঘাটতি পোষানো যাবে। তিন-চারজন বাদ পড়লেই দলের শক্তি কমে যাবে অনেকখানি। সেটা নিয়েই বেশি ভাবছেন দলের সহকারী কোচ স্টুয়ার্ট ওয়াটকিস, ‘কেউ চায় না কোনো দল খর্বশক্তির দল নিয়ে খেলুক। বাংলাদেশ কিংবা কাতার কোনো দল কমজোরি হয়ে খেললে ম্যাচের ফলে তার প্রভাব পড়তে পারে। এটা খুবই দুশ্চিন্তার বিষয়।’

ইউরোপের ক্লাব ফুটবলে খেলোয়াড়দের করোনা পজিটিভ হওয়ার খবর নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে উঠেছে। কদিন আগে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো করোনার ধাক্কা কাটিয়ে মাঠে ফিরেছেন। এখন রিয়াল মাদ্রিদের দুই তারকা হ্যাজার্ড ও কাসেমিরো করোনা পজিটিভ হয়ে আইসোলেশনে আছেন। ওখানে একটি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই সবার পরীক্ষা করানো হয়।

ক্লাব ক্যাম্পে থাকাকালেও তাঁদের পরীক্ষা করানো হয়। যাঁদের ধরা পড়ে তাঁরা আইসোলেশনে যান, বাকিরা মাঠে নামে—এটাই নিয়ম হয়ে গেছে বিশ্ব ফুটবলে। বিশ্ব ফুটবল তারকারা এত স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনেও করোনা এড়াতে পারছেন না। সেখানে বাংলাদেশের ফুটবলারদের পক্ষে করোনা এড়িয়ে থাকা কঠিন। তাই কাতারে কারো সংক্রমণ ধরা পড়লেও এর জন্য তৈরি ফুটবল ফেডারেশন।

সুত্রঃ বাংলাদেশ ফুটবল টিম ফেসবুক পেইজ!

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে