পরিসংখ্যান কি বলে? পিএসজি নাকি বায়ার্ন।

0

Our Times News

পিএসজি বায়ার্ন এর আগে পাচঁ বার মুখোমুখি হয়েছে, আর এর মধ্যে তিনবারই জয় পায় বায়ার্ন মিউনিখ।
এবার আসা যাক বিস্তারিত পরিসংখ্যান কি বলেঃ

বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে পরিসংখ্যানের তুলনায় যাওয়া এবার যেন অন্য ক্লাবগুলোর জন্য দুঃসাহসের মতো! শুধু গোলসংখ্যাই দেখুন না। ১০ ম্যাচে ৪২ গোল করেছে  বাভারিয়ানরা। অর্থাৎ ম্যাচ প্রতি ৪ গোলেরও বেশি।

গোল সংখ্যায় তাদের এই দানবীয় রূপটা সবচেয়ে কাছ থেকে দেখেছে বার্সেলোনা। অপরদিকে পিএসজির ১০ ম্যাচে ২৫ গোল অতোটা দানবীয় না হলেও, যেকোনো সময় অগ্নিমূর্তি ধারণ করার সামর্থ্য আছে প্যারিসিয়ানদের, তার প্রমাণ দেয়।

নেইমার-এমব্যাপ্পেরা আলোচনার তুঙ্গে। বড় ম্যাচে ‘এক্স ফ্যাক্টরের’ ভূমিকায় থাকেন ডি মারিয়া। শুরুর একাদশে না থাকলেও এম্বাপ্পের সমান ৫ গোল নিয়ে পিএসজির চ্যাম্পিয়ন্স লিগ রূপকথার আরেক অংশীদার আর্জেন্টাইন তারকা মাউরো ইকার্দিও।

তবে, ঐ যে তুলনায় গেলে চোখ উঠবে কপালেই। বায়ার্নের হয়ে এবার ৯ ম্যাচে লেওয়ানডস্কির একারই গোল আছে ১৫টি। ইতিহাস বলে, এর আগে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ১৭ আর নিস্তলরয়ের ১৫ গোলের পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের খাতায় এক মৌসুমে ওঠেনি এতো গোলের রেকর্ড। এর আগে টানা ১১ ম্যাচে গোল করেছেন রোনালদো। নিস্তলরয় করেছেন টানা ৯ ম্যাচে। লেওয়ানডস্কি ছুঁলেন তাকেও। কালকের ম্যাচে গোল পেলে টানা ১০ ম্যাচে গোল করে রোনালদোর পরই উঠে আসবেন পোলিশ তারকা।

খুনে মেজাজে আছেন লেভার সতীর্থ গেন্যাব্রিও। গোল সংখ্যা ৯। আর মুলার, কৌতিনিয়ো, কিমিচদের সমন্বয়ে রীতিমতো ত্রাস ছড়ায় হ্যান্সি ফ্লিকের স্কোয়াড।

সেমিফাইনাল জয়ের পর দু’দলের চিত্র ছিলো দু’রকম। প্রথমবার ফাইনালে ওঠার উচ্ছ্বাস নেইমারদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। রূপালী ট্রফিটায় তাই আবেগ দিয়ে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের নাম লেখাতে চান তারা। অন্যদিকে চোয়ালবদ্ধ-পেশাদার বায়ার্ন মিউনিখ। প্রতিপক্ষের আবেগী হৃদয় ছিঁড়ে ট্রফিটা ছিনিয়ে নিতে চায় লেওয়ানডস্কি-মুলাররা

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে