বাংলাদেশ ক্রিকেটের একজন স্বনামধন্য সাবেক অধিনায়ক যখন মাদকের মদদদাতা।

0

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও মানিকগঞ্জ জেলার বর্তমান এমপি নাঈমুর রহমান দূর্জয়ের সাঙ্গপাঙ্গদের ছড়ানো ভয়ঙ্কর মাদকের সয়লাব মানিকগঞ্জ জেলার ৩ উপজেলায়। বিএনপি সরকারের আমলে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার ছাএদলের সভাপতি থাকা আবদুল কুদ্দুস এখন এমপি দূর্জয়ের আশীর্বাদ পেয়ে দৌলতপুর উপজেলার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বনে যান। আবদুল কুদ্দুস হয়ে ওঠেন আরো বেপরোয়া। উপজেলার প্রত্যেক ইউনিয়ন ও গ্রামের মধ্যে তার ক্যাডার বাহিনী নিয়ে শুরু করেন জীবন ধংসকারী মাদকের কারবার।

বাংলাদেশের জনপ্রিয় পত্রিকা কালের কণ্ঠ’র অনুসন্ধানের মাধ্যমে জানা গিয়েছে, গত কয়েক বছর আগেও শান্ত পরিবেশের দৌলতপুর খেলাধুলা আর বিভিন্ন সুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে মুখরিত ছিল। আর এখন সেখানকার উপজেলার তরুণেরা জীবন ধংসকারী মাদকে ডুবে আছেন, সন্ধ্যা নামতেই সেখানকার পাড়া-মহল্লায় বসে ভয়ঙ্কর মাদক ও কালো টাকার জুয়ার আড্ডা, এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস নিজেই মাদক ও জুয়ার মূল হোতা। পুলিশের একটি দল গত ১২ মে মাদকসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে মাদকের হোতা আব্দুল কুদ্দুসকে। এদিকে দৌলতপুর উপজেলা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার তানিয়া সুলতানাসহ পুলিশের একটি গ্ৰুপ অভিযান চালিয়ে আবদুল কুদ্দুসসহ এমপি নাঈমুর দুর্জয়ের ক্যাডার বাহিনীদের আটক করে। কিন্তু আবদুল কুদ্দুসকে আটকের পর পরই বিচলিত হয়ে উঠেন মাদকের মদদদাতা এমপি দুর্জয়। তাঁর সুপারিশে এবং তদবিরের কাছে পুলিশ অসহায় হয়ে কুদ্দুসকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেখানকার থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ‘আব্দুল কুদ্দুস একজন মাদক কারবারি এবং জুয়া খেলার কারিগর। তাঁকে হাতেনাতে মাদকসহ আটক করা হয়েছে, কিন্তু ওপরের মহলের চাপে থানা পুলিশ তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

সাবেক ক্রিকেটার এমপি নাঈমুর রহমান দূর্জয়ের মাধ্যমে ছাড়া পেয়ে আরো ভয়ঙ্কর ও বেপরোয়া হয়ে উঠেন নতুন আওয়ামী লীগ নেতা কুদ্দুস। তিনি দৌলতপুর উপজেলায় এখনো জুয়া ও মাদকের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও তাঁর ভাতিজা সুমন এবং ভাগ্নে রিপনও সরাসরি ইয়াবার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

বাংলাদেশের মানুষ একজন স্বনামধন্য ক্রিকেটারকে কখনোই যুবসমাজ ধংসকারী মাদকের মদদদাতা হিসেবে দেখতে চাইনি। অবশ্যই অবশ্যই ভদ্র মানুষের খেলা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এটি ভীষণ ভীষণ লজ্জা জনক ঘটনা, এখন দেখার অপেক্ষায় বাংলাদেশ সরকার সাবেক ক্রিকেটারের নাইমুর রহমান দূর্জয়ের ব্যপারে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।-(তথ্য দৈনিক কালের কণ্ঠ)

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে