মুজারাবানীর বোলিং জাদুতে সুপারে ওভারে জিতলো জিম্বাবুয়ে!

0

সিনিয়র রিপোর্টার: আমিনুল ইসলাম।

অসাধারণ এক জয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শেষ করেছে সফরকারী জিম্বাবুয়ে। ৬ উইকেটে ২৭৮ রানের জবাবে পাকিস্তান ৯ উইকেটে সমান রান করে। ফলে ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। এখানে পাকিস্তানের ২ রানের জবাবে জিম্বাবুয়ে ৩ রান করে জয় তুলে নেয়। শেষ ম্যাচে হার সত্ত্বেও পাকিস্তান ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে।

ম্যাচের পরতে পরতে ছিল চমক। উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরি। দুই দলের দুই বোলারের পাঁচ উইকেট। ম্যাচ টাই, সুপার ওভার এবং জিম্বাবুয়ের জয়। অথচ জিম্বাবুয়ের শুরুটা ছিল খুব নাজুক। তাদের ইনিংস যে এতদূর যাবে তা শুরুতে বোঝাই যায়নি। ২২ রান করতেই তাদের তিন উইকেটের পতন হয়েছিল।

মোহাম্মদ হাসনাইনের বিধ্বংসী বোলিংয়ে জিম্বাবুয়ের শীর্ষ তিন ব্যাটসম্যানের কেউ দুই অঙ্কের রানের দেখা পায়নি। জিম্বাবুয়ের হারানো ছয় উইকেটের প্রথম পাঁচ উইকেট নিয়েছেন এ পেসার। তার বোলিং স্পেল (১০-৩-২৬-৫) ছিল যথেষ্ঠ ঈর্ষণীয়। ক্যারিয়ারের মাত্র ষষ্ঠ ম্যাচেই তিনি এ কৃতিত্ব দেখালেন।

গত বছরের মার্চ মাসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ বোলিং করেছিলেন হায়দারাবাদের এ ডান হাতি পেসার। সে সময় তার সেরা বোলিং ছিল ৫২ রানে ২ উইকেট। এবার সিরিজে প্রথম সুযোগ পেয়েই নির্বাচকদের আস্থার জবাব দিয়েছেন।

জিম্বাবুয়েং ২২ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ব্রেন্ডন টেলর এবং শন উইলিয়ামস ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নেন। ভালোভাবেই তারা সে দায়িত্ব পালন করেছেন। ৮৪ রানে টেলর আউট হবার পর উইলিয়ামস (অপরাজিত ১১২), ওয়েসলে মাধেভেরা (৩৩) এবং সিকান্দার রাজা (৪৫) দলকে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দেন।

পাকিস্তানের শুরুটা ছিল আরও নাজুক। ২০ রান করতেই তারা হারিয়েছিল ৩ উইকেট। পঞ্চম উইকেট পতনের সময় স্কোরবোর্ডে রান তখনও তিন অঙ্কে পৌঁছায়নি। ৮৮ রানে পাঁচ উইকেট হারায় তারা।

তবে একদিকে অধিনায়ক বাবর আজম ছিলেন অবিচল। ১২৫ বলে ১২৫ রান করেন তিনি। তবে ওয়াহাব রিয়াজের কথা না বলাটা অন্যায় হবে। ৫৬ বলে ৫২ রান করেছেন এ পেসার। তিনটি করে বাউন্ডারি ও ওভার বাউন্ডারিতে সাজানো ছিল তার ইনিংস। পাকিস্তানের হারানো ৯ উইকেটে পাঁচটি পান ব্লেসিং মুজারাবানি। ম্যাচ সেরাও হয়েছেন তিনি।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে