কারাবাখের ঐতিহাসিক মসজিদগুলোকে শুয়োরের খামার বানিয়ে ছিলো আর্মেনিয়া!

0

রিপোর্টার: সাইফুল ইসলাম।

২৯শে অক্টোবর ১৯৯৩-তে আর্মেনিয়ার অধিকৃত কারাবাখের জাঙ্গিলান শহরের ঐতিহাসিক একটি মসজিদকে শুয়োরের খামারে পরিণত করা হয়েছিলো – যা চলতি মাসের ২০ তারিখে উদ্ধার করেছে আজারি সেনাবাহিনী।

মোবাইলে ধারণ করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, আজারবাইজানের সেনারা ইসলামী স্থাপনায় প্রবেশের সময় সেখানে শূকরের খামারের সামনে পড়েন। মসজিদটি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।

তেমনি, কারাবাখের আদগাম প্রদেশের ঘোস্ট শহরে স্থপতি কারবালাই শাফী খান কারাবাখী ১৮৭০ সালে নান্দনিক ও ঐতিহাসিক আদগাম মসজিদ নির্মাণ করবেন। কিন্তু ২৯শে ফেব্রুয়ারী ১৯৯২-তে কারাবাখ ও আর্মেনিয়ার খৃষ্টান বাহিনী ঐ এলাকা দখল করে এ মসজিদটি ধ্বংস করে সেখানে ৪৭৭টি লাশ দাফন করে! এতেই এরা ক্ষান্ত হয়নি, বরং মসজিদটির মেঝে পশুখাদ্য ও গোবর দিয়ে নোংরা করে মসজিদটিকে গরু ও শুয়োরের খামারে পরিণত করা হয়! ২০১০ সালের জুনে আলোকচিত্ৰগ্রাহক আন্দ্রেই গালাফিয়েভ সেখানে গিয়ে এ মসজিদটির দৈন্যদশার ছবি তুলে এনে এটির করুণ অবস্থা বর্ণনা করেন। তার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আজারবাইজানের সংবাদপত্র এবং তুরস্কের একটি সংস্থা সমালোচনা ও অভিযোগ করে যে, মসজিদটি গরু এবং শূকরের আবাস হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে, অস্বীকৃত নাগোর্নো কারাবাখ সরকারের টনক নড়ে। তারা ২০১০ সালের নভেম্বরে ঘোষণা করে, যে মসজিদটি এবং এর আশেপাশের জায়গা পরিষ্কার করা হয়েছে এবং আগদামের মসজিদ এবং পাশাপাশি শুশার মসজিদগুলোও সংস্কার করা হয়েছে।

আর্মেনীয় খৃষ্টানরা মুসলিমদেরকে যে কতোটা ঘৃণা করে, তা তাদের এসব অপকর্ম ও ধৃষ্টতার পরাকাষ্ঠাই প্রমাণ করে। সূত্র: ইয়েনি শাফাক, আনাদোলু এজেন্সি, দ্য লন্ডন পোস্ট ও উইকিপিডিয়া।

একটি মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে