
আওয়ার টাইমস নিউজ।
ডেস্ক রিপোর্ট: লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে গোপনে বৈঠকে অংশ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ঘিরে জেলায় আলোচনা তৈরি হলে পুলিশের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শনিবার সকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাহাদাত হোসেন সুমাকে প্রধান করে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে তদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে উপজেলার সিন্দুর্নায় আওয়ামী লীগ নেতা আমজাদ হোসেন তাজুর বাসায় ওসির উপস্থিতি নিয়ে অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, দাওয়াতের আড়ালে সেখানে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার সঙ্গে একটি গোপন বৈঠক হয়, যেখানে ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ অংশ নেন এবং নৈশভোজেও উপস্থিত ছিলেন।
আমজাদ হোসেন তাজু দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন। তিনি বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং একাধিক মামলার আসামি বলে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, ওই সময় জেলার বাইরে কর্মরত হাতীবান্ধার একজন উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাও ওই বাসায় উপস্থিত ছিলেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শনিবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক বৈঠকে অংশ নেননি এবং ওই আওয়ামী লীগ নেতার বাসায় যাননি।
অন্যদিকে, আমজাদ হোসেন তাজুর স্ত্রী শাপলা আক্তার দাবি করেন, সেটি কোনো রাজনৈতিক বৈঠক ছিল না। পারিবারিক একটি দাওয়াত অনুষ্ঠানে ওসিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
লালমনিরহাটের সহকারী পুলিশ সুপার জয়ন্ত কুমার সেন জানান, ওই বাসায় পুলিশের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা দাওয়াতে গিয়েছিলেন। তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতেই ওসি সেখানে যান।
জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





























