
আওয়ার টাইমস নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ক্ষমতাসীন সরকারের কিছু কর্মকর্তাকে হত্যা করার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে অত্যন্ত তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছেন।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বৃহস্পতিবার তিনি লিখেছেন, ইরানের শাসক স্তরের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপকে তিনি “সম্মানজনক ও গর্বজনক” কাজ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং এর মাধ্যমে ইরানের দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ডের মোকাবিলা হওয়া উচিত।
ট্রাম্পের বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে চলছে। তিনি দাবি করেছেন, এসব পদক্ষেপ ইরানের প্রতিহিংসাপূর্ণ নীতি ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমস্যার কারণ হিসেবে দাঁড়িয়েছে এবং তাদের নির্মূল করা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ।
ট্রাম্প বলেন, ইরান ৪৭ বছরেরও বেশি সময়ের ধরে বিভিন্ন স্থানে সহিংস কার্যকলাপে জড়িয়ে রয়েছে এবং এটিকে প্রতিহত করা তার প্রশাসনের প্রধান কাজের অংশ ছিল। তিনি ইরানের নৌবাহিনী ও বিমানের সক্ষমতা উল্লেখ করে দাবি করেছেন যে, সাম্প্রতিক অভিযান তাদের কার্যকারিতা প্রায় অচল করে দিয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের মন্তব্য কেবল সামরিক উদ্দেশ্যই নয়, রাজনৈতিক বার্তাও বহন করে — যেখানে তিনি ইরানের বর্তমান নেতৃত্বকে দুর্বল ও বিপদজনক হিসেবে তুলে ধরছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি প্রদর্শনের ইচ্ছা প্রকাশ করছেন।
তবে এই বক্তব্যটি আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচনার মুখে পড়েছে। বিভিন্ন দেশ ও মানবাধিকার সংগঠন বলছে, কোনো দেশের শাসক বা সেনা কর্মকর্তা হত্যার বিষয়ে এমন ভাষা ব্যবহারের ফলে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে এবং আইনি ও নৈতিক জটিলতা তৈরি হতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ধরনের মন্তব্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
সূত্র: আল জাজিরা





























